ম্যাচটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল নাঈমের মুখ থেকেই শুনুন, ‘‘টানা দুই হারের পর আমাদের আজ ম্যাচটা ডু অর ডাই ছিল। আমরা যেই ছন্দে ছিলাম সেটা আবার ফিরিয়ে আনার দরকার ছিল। কেননা এখন সবাই দল গুছিয়ে উঠেছে। সবাই পারফর্ম করতে শুরু করেছে। এমন সময়ে যদি জয় হাতছাড়া হয় তাহলে সামনে যাওয়া কঠিন হয়ে যায়।’’
দল জয়ে ফিরেছে। নাঈম রেখেছেন অবদান। পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারির পর টি-টোয়েন্টিতে ফিফটি পেয়েছেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। বিপিএলে দ্বিতীয় আসরে পেয়েছিলেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার। এক যুগ পর তার হাতে আবার উঠেছে স্বীকৃতি। তাতে দারুণ উচ্ছ্বসিত নাঈম, ‘‘খুবই ভালো লাগছে। দলের জয়ে আপনি যখন ব্যাটিং, বোলিং দুই বিভাগে অবদান রাখতে পারবেন তখন খুব খুব ভালো অনুভব হয়।’’
ফ্রাঞ্চাইজির মালিককে ধন্যবাদ দিয়ে নাঈম বলেছেন, ‘‘প্রথম ম্যাচে ওপেনিং করেছিলাম। চিটাগংয়ের প্রত্যাশা মাফিক তেমন কিছু করতে পারিনি। কয়েকটা ম্যাচ এজন্য অফ ছিলাম। এখন ফিরে এসে একটা ভালো ইনিংস খেললাম। আমাদের দলের মালিক সামির ভাই উনি চেয়েছেন আমি খেলি। তার চাওয়াতেই আমি খেলেছি। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া। সামির ভাইয়ের কাছে থ্যাংকফুল। আমাকে এই সুযোগটি দিয়েছেন ও বিপিএলে উনার টিমে পিক করেছে।’’