সিইসি বলেন, গণতান্ত্রিক যাত্রায় নির্বাচন আয়োজন নিয়ে সব রকম সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু করার সব রকম প্রস্তুতি নেওয়া হবে। ইসির স্বাধীনতা খর্ব হয় এমন কিছুতে আপত্তি জানানো হয়েছে আমাদের পক্ষ থেকে। নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখতেও একমত ইইউ। সংস্কারকে গুরুত্ব দিয়েছে ইইউ। ইইউ মনে করে সংস্কারের সময়টা কম হয়েছে।
ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কথা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের নির্বাচন করতে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে ইইউ।