ইতিহাস গড়ার পর রশিদ খান বলেন, ‘এটি একটি অসাধারণ অর্জন। কখনো ভাবিনি যে এখানে আসতে পারবো। যদি ১০ বছর আগে কেউ আমাকে জিজ্ঞেস করতো, কখনও এ সম্পর্কে চিন্তাও করিনি। আফগানিস্তান থেকে এই পর্যায়ে পৌঁছানো একটি গর্বের বিষয়। ডিজে (ব্রাভো) টি-টোয়েন্টির সেরা বোলারদের একজন। এটি একটি বড় সম্মান এবং আমি এই ধারা চালিয়ে যাওয়ার জন্য মুখিয়ে আছি।’
২০১৫ সালে টি-টোয়েন্টি অভিষেক হয় রশিদের। এরপর এখন পর্যন্ত এই ফরম্যাটে খেলেছেন ৪৬১ ম্যাচ। মিতব্যয়ী বোলিং এবং দুর্দান্ত সব ব্রেক থ্রু এনে দেওয়ার ক্ষমতা তাকে টি-টোয়েন্টির ফেরিওয়ালা বানিয়েছে। আফগান এই তারকা এখন জাতীয় দলের পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।