লা কার্তুজায় বার্সা বলের দখল ধরে রাখে শুরু থেকে। ২৮ মিনিটে পেদ্রি দূর থেকে একটি অসাধারণ শটে বল জালে জড়ান। এই গোলটি শুরু হয় পাউ কুবার্সি থেকে। এরপর পেদ্রি বলটি ইয়ামালের দিকে বাড়ান, যিনি কাট করে পেদ্রিকে দারুণ পজিশনে এনে দেন।রিয়াল মাদ্রিদ এরপর খোলামেলা খেলায় আসে এবং বেঞ্চে থাকা এমবাপেকেও গা গরম করতে দেখা যায়। জুড বেলিংহ্যাম একটি চমৎকার আক্রমণ গোল করলেও অফসাইডের কারণে সেটা বাতিল হয়। ভিনিসিয়াস জুনিয়র পেনাল্টির দাবি জানালেও, তার আগেই অফসাইডে ছিলেন।
বার্সেলোনা দ্বিতীয় গোলের খুব কাছাকাছি চলে যায়, কিন্তু দানি ওলমোর কর্নার পোস্টে লেগে ফিরে আসে এবং কুবার্সি সুযোগ মিস করেন। দ্বিতীয়ার্ধে রদ্রিগোর পরিবর্তে এমবাপে নামেন এবং মাদ্রিদ আক্রমণের ধার বাড়তে থাকে। ম্যাচের ৭০তম মিনিটে এমবাপে একক প্রচেষ্টায় সমতা আনেন। একটি ফ্রিকিক থেকে নিচু শটে পোস্টে লেগে গোল করেন তিনি। এর সাত মিনিট পর আর্দা গুলারের কর্নার থেকে হেডে গোল করে মাদ্রিদকে এগিয়ে দেন চুয়ামেনি।
তবে রিয়ালের শ্রীহীন রক্ষ্ণের সুযোগে বার্সা আবারও ফিরে আসে। ইয়ামাল একটি দারুণ পাস দেন, যা রুডিগার ও কর্তোয়া দুজনকেই বিভ্রান্ত করে এবং তোরেস বল জালে জড়ান। অতিরিক্ত সময়ে যাওয়ার আগে বেশ কিছু বিতর্কিত ঘটনা ঘটে। বার্সেলোনা একটি পেনাল্টির দাবি জানালেও পরে ভিএআর দেখে তা বাতিল করে রাফিনিয়াকে ডাইভ করার অভিযোগে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি।
অতিরিক্ত সময়ে বার্সেলোনা আধিপত্য বিস্তার করে এবং লুকা মদ্রিচের একটি দুর্বল পাস থেকে কুন্দে গোল করেন। শেষ মুহূর্তে রেফারি একটা পেনাল্টি আবেদন নাকচ করে দিলে রুডিগারের লাল কার্ড দেখেন।
ম্যাচপূর্ব রেফারিদের ঘিরে বিতর্ক নিশ্চিত করে যে, এই ম্যাচের প্রভাব এখনই শেষ হচ্ছে না। দুই দল মে মাসে লা লিগায় আবারও মুখোমুখি হবে, যা শিরোপা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।