calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / সম্পাদকীয় / ধোঁয়াশা মানবিক করিডর নিয়ে
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
সম্পাদকীয় বিশেষ প্রতিবেদন

ধোঁয়াশা মানবিক করিডর নিয়ে

জাতিসংঘের অনুরোধে ‘মানবিক করিডর’ দেওয়া নিয়ে জনমনে এক ধরনের ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। সরকারের উচিত বিষয়টি খোলাসা করা। উল্লেখ্য, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন ২৭ এপ্রিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে বলেছিলেন, মিয়ানমারের...

person
বাংলার ডাক verified
Staff reporter
schedule প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫ • সন্ধ্যা ০৭:১২
history আপডেট: ১ বছর আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৪১০ বার পঠিত

এই যখন পরিস্থিতি, তখন কেন আমরা এ ধরনের জটিলতায় নিজেদের জড়াব? অবশ্য মানবিক করিডর নিয়ে দেশে তীব্র সমালোচনার মুখে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান বলেছেন, করিডর নয়, বাংলাদেশ আসলে প্যাসেজ দিচ্ছে। তিনি বলেছেন, করিডর আর প্যাসেজের মধ্যে বিস্তর পার্থক্য রয়েছে। তবে কী পার্থক্য, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু তিনি বলেননি। ফলে বিষয়টি নিয়ে জনমনে সৃষ্টি হওয়া ধূম্রজাল কাটেনি।

বস্তুত মানবিক করিডর হলো, যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চল বা দুর্যোগপীড়িত এলাকায় সাধারণ মানুষের নিরাপদ চলাচলের একটি ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে অসহায় ও নিরপরাধ মানুষ সংঘর্ষের কেন্দ্রবিন্দু থেকে নিরাপদে সরে যেতে পারে অথবা এ পথে ত্রাণসামগ্রী পাঠানো যেতে পারে। তবে এ করিডরের কার্যকারিতা নির্ভর করে এর নিরাপত্তা ও নিরপেক্ষতার ওপর। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংকটে দেখা গেছে, মানবিক করিডর ব্যবহার হয়েছে সামরিক কৌশলের অংশ হিসাবে, যা মানবিক নীতির পরিপন্থি এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লঙ্ঘনের শামিল। অর্থাৎ মানবিক করিডরের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো এর অপব্যবহার। সশস্ত্র গোষ্ঠী বা রাষ্ট্রীয় বাহিনী কখনো কখনো এই করিডর ব্যবহার করে অস্ত্র বা যোদ্ধা স্থানান্তর করে থাকে। এতে করে করিডরের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ে, আর যেসব নাগরিক এই করিডরের মাধ্যমে নিরাপদে সরে যেতে চায়, তারা পড়ে ঝুঁকির মুখে। এছাড়া করিডর স্থাপনের সময় পক্ষগুলোর মধ্যে বিশ্বাসের অভাব থাকলে তারা সহজেই টার্গেটে পরিণত হতে পারে। এতে আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন ঘটে এবং মানবিক সহায়তার লক্ষ্যে নেওয়া পদক্ষেপ ব্যর্থ হয়।

এ অবস্থায় আমরা মনে করি, করিডরই হোক বা প্যাসেজ, সরকারের উচিত এ বিষয়ে স্পষ্ট বক্তব্য দিয়ে জনমনে বিদ্যমান উদ্বেগ ও সংশয় দূর করা। সবচেয়ে বড় কথা, যেহেতু বর্তমানে দেশে কোনো সংসদ নেই, সেহেতু স্পর্শকাতর ও জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মতি নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।