আমিনুল হক বলেন, ‘আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও তরুণদের জন্য একটি সুন্দর সমাজ উপহার দিতে চাই। মানবিক বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেখছেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সমাজের সব মানুষের প্রয়োজন রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা মানুষের পাশে থেকে সমাজকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে চাই। কিছু স্বৈরাচারী ষড়যন্ত্রকারী দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে—যাদের কথা ও কাজে কোনো মিল নেই। তারা দেশের স্বার্থ নয়, নিজেদের স্বার্থকেই প্রাধান্য দেয়। তারা কখনোই প্রকৃত বাংলাদেশি বা সৎ নাগরিক হতে পারে না।’
তারেক রহমানের ৩১ দফা রূপরেখার প্রতি আলেমদের সমর্থনের আহ্বান জানিয়ে আমিনুল হক বলেন, তারেক রহমানের রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের ৩১ দফা রূপরেখায় ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং আলেম সমাজের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন করা হয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ সংযোজন করে ইসলামি মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আমরা তার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সমাজ পরিবর্তনের আন্দোলনে কাজ করে যাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫৩ বছর পরেও দেশে গণতন্ত্র, ভোট ও ভাতের অধিকারের জন্য বিএনপির বহু নেতাকর্মী, ছাত্র-জনতা এবং আলেমদের রক্ত দিতে হচ্ছে, জীবন দিতে হচ্ছে।’
আমিনুল বলেন, ‘চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ভাইয়েরা স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। আমরা সেই ত্যাগকে স্মরণ করে সমাজকে নতুনভাবে গড়তে চাই। এই লক্ষ্য অর্জনে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।’
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন মাওলানা মুহাম্মদ সালমান (হাফিজাহুল্লাহ)। সভাপতিত্ব করেন পল্লবী রূপনগর থানার ওলামা-মাশায়েখ পরিষদের সভাপতি মাওলানা আব্দুস সালাম।
সভা পরিচালনা করেন মাওলানা জাকির হোসাইন কাসেমী, মুফতি আবদুল মালেক ও মাওলানা শামিম কবির। মতবিনিময় সভায় পল্লবী রূপনগর থানার বিভিন্ন আলেম-মাশায়েখরা অংশগ্রহণ করেন ও বক্তব্য দেন।