যারা নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে চাচ্ছে, তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না উল্লেখ করে বিএনপি নেতা বলেন, যারা বাংলাদেশের আগামীর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করতে চাচ্ছে, নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে চাচ্ছে, তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। তারা সংসদীয় পদ্ধতিতেও বিশ্বাস করে না। তারা কোন পদ্ধতিতে যাবে নিজেরাও জানে না।
বিদ্যমান রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন জরুরি মন্তব্য করে আমির খসরু বলেন, আমরা যতই সংস্কার করি, কোনো লাভ হবে না। যদি রাজনৈতিক সংস্কৃতি বদলাতে না পারি, কোনো সংস্কার কাজে আসবে না। অপরের মতকে আমাদের সম্মান জানাতে হবে। সহনশীল হতে হবে। এর মাধ্যমেই দেশকে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবো। দেশের জাতীয় স্বার্থে যেখানে ঐক্য দরকার, সেখানে ঐক্য করতে হবে।
ঐক্য এখনো অটুট আছে জানিয়ে তিনি বলেন, অনেকেই বলছেন, দলগুলোর মধ্যে যে ঐক্য ছিল ৫ আগস্টের পরে তা অনৈক্য হয়ে গেছে। আমি তো কোনো অনৈক্য দেখতে পাচ্ছি না।
তার ভাষায়, প্রত্যেকটি দলের নিজস্ব দর্শন, চিন্তাভাবনা থাকবে। যেখানে আমরা একমত হতে পারবো সেখানে একমত হবো। বাকিটা জনগণের কাছে নিয়ে যেতে হবে। জনগণ হচ্ছে মালিক। তাদের কাছে নিয়ে যেতে হবে। তাদের সিদ্ধান্ত নিয়ে সংসদে পাশ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম এবং ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক মো. জসিম উদ্দিন, বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন আহমেদ অসীম। স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন মান্নান নিলুফার মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ব্যারিস্টার মেহনাজ মান্নান।