বিমানবন্দর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী, দক্ষিণাঞ্চলের সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের সমন্বয়ক সারজিস আলম, এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব ডা: তাসনিম জারা, যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ ও সারজিস আলমের স্ত্রী।
সী পার্ল রিসোর্টের নিরাপত্তা কর্মকর্তা কামরুজ্জামান এনসিপির পাঁচ নেতাসহ ছয়জনের উপস্থিতির তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘তারা হোটেলের পাঁচতলার তিনটি কক্ষে উঠেছেন। সেখানে কোনো বিদেশীর সাথে মিটিং হয়নি। তাদের হোটেলে পিটার হাস নামের কেউ উঠেননি।’
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার (এসপি) সাইফউদ্দীন শাহীন এনসিপির পাঁচ নেতাসহ ছয়জনের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘হোটেলে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস নেই। হোটেলে তিনজন চায়না নাগরিক রয়েছেন।’
এনসিপি নেতাদের সাথে কারো বৈঠকের বিষয়ে জানেন বলে জানান এসপি।
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারী এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘তারা কক্সবাজার বেড়াতে এসেছেন।’ পিটার হাসের সাথে কোনো বৈঠক হয়নি বলে জানান তিনি।
এদিকে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সাথে এনসিপি নেতাদের গোপন বৈঠকের অভিযোগ তুলে উখিয়ার স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা হোটেলের সামনে বিক্ষোভ করেছেন।
কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি ও উখিয়া-টেকনাফের সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বর্ষপূর্তির বিশেষ দিনে হঠাৎ করে এনসিপির শীর্ষ নেতাদের কক্সবাজার আগমন এবং শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরের পাঁচ তারকা হোটেলে অবস্থানের ঘটনা সন্দেহের সৃষ্টি করেছে। মানুষের মধ্যে নানা কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে তাদের সাথে পিটার হাসের বৈঠকের কথা শুনে লোকজনের মধ্যে সন্দেহ আরো বেড়েছে।’ তবে সেখানে আদতে পিটার হাস ছিলেন কি-না তিনি খোঁজ-খবর নিচ্ছেন বলে জানান।
এদিকে সন্ধ্যায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এনসিপির নেতারা সী পার্ল রিসোর্টে অবস্থান করছিলেন।