এদিকে, আহ্বানকৃত টেন্ডার সমুহের মধ্যে- নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর টেন্ডার খোলার তারিখ ১১ আগষ্ট'২০২৫ ইং, বগুড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির টেন্ডার খোলা তারিখ ১২ আগষ্ট'২০২৫ ইং, ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির টেন্ডার খোলা তারিখ ১৩ আগষ্ট'২০২৫ ইং নির্ধারণ করা হয়েছে।
সুত্র জানায়, আহ্বানকৃত টেন্ডার বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের ঢাকা অফিস ও স্ব স্ব পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অফিসে অর্থাৎ ২টি স্থানে ড্রপিংয়ের নিয়মনীতি অনুসরণ পূর্বক টেন্ডার সিডিউল ইস্যু করা হয়েছে। কিন্তু টেন্ডার ড্রপিং করার তারিখে দরদাতাগণ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের ঢাকা অফিসে ও সমিতির স্ব স্ব অফিসে দরপত্র দাখিল করতে গেলে স্থানীয় কতিপয় সন্ত্রাসী দ্বারা বাধা-বিপত্তি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। উল্লেখিত সন্ত্রাসীদের কারণে অনেকেই সঠিক ভাবে টেন্ডার দাখিল করতে ভয় পাচ্ছে। কারণ তারা টেন্ডার দাখিল করতে গেলে সন্ত্রাসীদের দ্বারা লাঞ্ছিত হওয়ার আশংকা রয়েছে বলে জানা গেছে।
সুত্র আরো জানায়, ইতোপূর্বে সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, গাইবান্ধা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সহ বিভিন্ন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অফিস গুলোতে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত দরদাতাগণ স্থানীয় সন্ত্রাসী প্রকৃতির টেন্ডার বাজদের দ্বারা বাধাগ্রস্থ হয়ে অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুধু তাই নয়, অনেক সময় ঢাকায় টেন্ডার জমা দিতে না পেরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অফিসে সেনাবাহিনীর সহায়তায় টেন্ডার দাখিল করতে হয়েছে।
এদিকে, বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২, বগুড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এবং ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নিলাম টেন্ডার দাখিলের তারিখে স্থানীয় টেন্ডারবাজ দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিতে পারে বলে নির্ভরশীল একাধিক সূত্র নিশ্চিত হয়েছে।
এদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন টেন্ডারকারী জানান, ইতোপূর্বে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ঢাকার অফিসে সন্ত্রাসীদের বাঁধার কারণে অনেকেই টেন্ডার জমা দিতে না পেরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সংশ্লিষ্ট অফিসে সেনাবাহিনীর সহায়তায় টেন্ডার দাখিল করতে হয়েছে। তাই ব্যবসায়ী মহল সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। ব্যবসায়ী মহল টেন্ডার দাখিল করার সময় সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করার জন্য জোর দাবি জানিয়েছে। অন্যথায় পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ব্যাপক আকারে রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, পরবর্তী টেন্ডারগুলো যেন সুষ্ঠ, সুশৃঙ্খল ও সুন্দরভাবে জমা দিতে পারেন তার জন্য সঠিক নিয়ম কানুন গঠন করা দরকার বলে জানান।
সুতরাং সকল ব্যবসায়ীরা জোর দাবি জানিয়েছেন যে, টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হওয়া মাত্রই নির্বিঘ্নে যাতে টেন্ডার জমা করা যায় সেজন্য কুরিয়ার সার্ভিস বা অনলাইনে টেন্ডার জমাদান বা সংশ্লিষ্ট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অফিস এলাকার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের টেন্ডার বাক্স রেখে জমা নেয়া যায় কিনা বিষয়টি ভেবে দেখা দরকার বা ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার। তাই টেন্ডার ব্যবস্থা নির্বিঘ্ন করতে জরুরি ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন।