এবার গল্প ভিন্ন। এবারের এশিয়া কাপ হচ্ছে টি-টোয়েন্টি সংস্করণে। সেটিকে আমলে নিয়ে একটা ব্যাখ্যাও দিয়েছেন কোচ মাইক হেসন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আসলে বাবরকে আরও উন্নতি করার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন, ‘বাবর প্রথম ওয়ানডেতে ভালো খেলেছিল, তবে পরের দুই ম্যাচে সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। কোনো সন্দেহ নেই যে বাবরকে কিছু ক্ষেত্রে উন্নতি করার জন্য বলা হয়েছে, বিশেষ করে স্পিনের বিপক্ষে খেলার ধরন এবং স্ট্রাইক রেটের বিষয়ে। এগুলো নিয়ে সে খুব কঠোর পরিশ্রম করছে।’
গত দুই আসরে পাকিস্তানের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক। ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ফাইনালে পৌঁছেও শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে রানার্সআপ হয়েছিল তারা। ২০২৩ সালের ওয়ানডে সংস্করণে সুপার ফোরের দুই ম্যাচ হেরে বিদায় নিতে হয় টুর্নামেন্ট থেকে। তাই এবার নতুন রূপে নিজেদের পুনর্গঠিত করার লক্ষ্য নিয়েই আসরে নামছে দলটি। আগামী ৯ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর দুবাই ও আবুধাবিতে বসবে এশিয়ার সেরা হওয়ার আসর। গ্রুপ ‘এ’-তে পাকিস্তানের সঙ্গী ভারত, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। পাকিস্তান তাদের প্রথম ম্যাচ খেলবে ১২ সেপ্টেম্বর, প্রতিপক্ষ ওমান। এরপর ১৪ সেপ্টেম্বর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের মুখোমুখি হবে বাবরবিহীন পাকিস্তান। গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে ১৭ সেপ্টেম্বর লড়বে স্বাগতিক সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে। তবে তার আগে আফগানিস্তান ও আমিরাতকে নিয়ে একটি ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে পাকিস্তান। শারজায় ২৯ আগস্ট থেকে ৭ সেপ্টেম্বর হবে এই সিরিজ। সেটিই হবে তরুণভিত্তিক নতুন দলের জন্য বড় পরীক্ষা ও প্রস্তুতির মঞ্চ।
এশিয়া কাপে ভিন্ন দুই গ্রুপে আফগানিস্তান ও পাকিস্তান। তবে দুই দলই সুপার ফোরে উঠলে, সেখানে মুখোমুখি হবে তারা। হেসনের মতে, এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ের আগে দারুণ এক প্রস্তুতির মঞ্চ পেয়েছেন তারা। ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সবাইকে চমকে দিয়ে সেমি-ফাইনাল খেলে আফগানিস্তান। গ্রুপ পর্বে নিউজিল্যান্ডকে হারানো দলটি সুপার এইটে হারিয়ে দেয় অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশকে। সংবাদ সম্মেলনে আফগানদের নিয়ে সতর্ক থাকার কথা বলেন হেসন, ‘গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালিস্ট ছিল আফগানিস্তান। তারা শীর্ষ পর্যায়ের একটি দল, বিশেষ করে যখন শারজাহতে খেলা হয়।’ টি-টোয়েন্টিতে এখন পর্যন্ত সাতবার আফগানিস্তানের মুখোমুখি হয়ে তিনটিতে হেরেছে পাকিস্তান, যার দুটিই শারজাহতে। ত্রিদেশীয় সিরিজের সবগুলো ম্যাচই হবে এই মাঠে।
এশিয়া কাপের পাকিস্তান স্কোয়াড
সালমান আলি আগা (অধিনায়ক), আবরার আহমেদ, ফাহিম আশরাফ, ফখর জামান, হারিস রউফ, হাসান আলী, হাসান নেওয়াজ, হুসেইন তালাত, খুশদিল শাহ, মোহাম্মদ হারিস (উইকেটকিপার), মোহাম্মদ নওয়াজ, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, সাহিবজাদা ফারহান, সাইম আইয়ুব, সালমান মির্জা, শাহিন শাহ আফ্রিদি ও সুফিয়ান মুকিম।
অধিনায়ক’ বাবর এবার দলেই নেই ‘!
অনেক দিন থেকেই টি-টোয়েন্টি সংস্করণে সুযোগ পাচ্ছেন না বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। ধারণা করা হয়েছিল এশিয়া কাপের স্কোয়াডে রাখা হবে তাদের। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে এমন গুঞ্জনও ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দলে জায়গা পাননি দুই অভিজ্ঞ...