হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমাদেরকে এখন বলা হয় নির্বাচন বিরোধী। বিএনপি নির্বাচনের জন্য কথা বলছে। আমরা নির্বাচনসহ আরও দুইটি বিষয়ের জন্য কথা বলছি। আমরা বলছি আমাদের নির্বাচনও লাগবে আবার বিচার ও সংস্কারও লাগবে। এই যে পুলিশ আমাদেরকে বিনা বিচারে, বিনা মামলায় ঘর থেকে তুলে নিয়ে যাবে না— এটার ফয়সালা কি হয়েছে? নেওয়ার পরে যে আমাদের পরিবারকে অবগত করবে— এটার ফয়সালা কি হয়েছে? হয়নি তো! আমরা দেখি একজন মাইক দিয়ে বলে যদি ধানের শীষ না থাকে প্রয়োজনে আমরা নিজেরাই ব্যালট পেপার ছাপাব। আমি বলছিনা এটা একটা রাজনৈতিক দলের অবস্থান। আমি বলছি এটা অনেক রাজনৈতিক দলের মনস্তাত্ত্বিক বিষয়টা হচ্ছে এমন। এটা সবাই যে ধারণ করে আমরা বিশ্বাস করতে চাই না।
তিনি আরও বলেন, রুমিন ফারহানার সঙ্গে আমাদের একটা মনোমালিন্য হয়েছে। আমরা এসেছি। ওনি ওনার লোক পাঠিয়েছেন যে আমাদের এখানে কোনো সমস্যা হচ্ছে কিনা। আমাদের জন্য ওনি কিছু উপহার পাঠিয়েছেন। এটা আমাদের জন্য পজিটিভ বার্তা। আমাদের অবশ্যই স্বাগতম জানানো উচিত।
বৈঠকে আরও বক্তব্য রাখেন এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব এস. এম. সাইফ মোস্তাফিজ ও ডা. মাহমুদা মিতা, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মো. আতাউল্লাহ এবং বিজয়নগর উপজেলা কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী আমিনুল হক চৌধুরী প্রমুখ।