তিনি আরও লেখেন, দুটি দলের মধ্যে যে সম্পর্ক তৈরি হতে চলেছে, এটাকে বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব এনসিপি ও গণঅধিকার পরিষদ উভয় দলের নেতাকর্মীদের। সব পক্ষ দায়িত্বশীল আচরণ না করলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বহু মানুষের স্বপ্ন। এনসিপি গঠনের আগেও ঐক্য প্রক্রিয়া নিয়ে প্রচেষ্টা ছিল। নতুনভাবে সেটি আবার আলোচনায়। এবার বাস্তবায়ন না হলে জনগণ আমাদের সব পক্ষকে ধোঁকাবাজ মনে করবে।
তার ভাষায়, ন্যায্য ও সাম্যতার ভিত্তিতে একীভূত হওয়ার বিষয়ে গণঅধিকার পরিষদ অত্যন্ত ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করছে।
এ ক্ষেত্রে দল ও অঙ্গসংগঠনের সবাইকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করার বিষয়ে সচেতন থাকার অনুরোধ করেন সাবেক এই ছাত্রনেতা।
যদিও পরে তিনি এই পোস্ট এডিট করে ভিন্ন রূপে উপস্থাপন করেন। একই পোস্টের দুটি রূপই নিচে তুলে ধরা হলো-