অথচ এদিন দারুণভাবে টিম ইন্ডিয়াকে চেপে ধরেছিল বাংলাদেশ। তৈরি করেছিল জয়ের সম্ভাবনা। দুবাইয়ে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামা ভারত প্রথম ৩ ওভারে তুলতে পারে ১৭ রান। এসময় অভিষেক শর্মার ক্যাচ গ্লাভসে জমাতে পারেননি জাকের আলি। লিটন দাসের চোটের সুযোগে নেতৃত্ব দেওয়া জাকেরের এই ক্যাচ মিসেরই চরম মূল্য দিতে হয় দলকে। এরপর ডানা মেলেন অভিষেক। পাওয়ার প্লেতে ভারত তোলে ৭২ রান।
তবু ২০ ওভার শেষে ভারত করতে পারে ৬ উইকেটে ১৬৮। এর কৃতিত্ব দিতে হবে বাংলাদেশের বোলারদের। শেষ ওভারে স্রেফ ৪ রান দেন সাইফউদ্দিন। ২ ওভারে ৭ রান দেন সাইফ হাসান।
সপ্তম ওভারে বোলিংয়ে এসে টানা দুই ওভারে দুই উইকেট নেন স্পিনার রিশাদ হোসেন। পরে তারই দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ে অভিষেক রান আউট হয়ে ফিরলে ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ।
৭ বলে ৭ রানে থাকতে জাকেরের হাতে জীবন পাওয়া অভিষেক শেষ পর্যন্ত আউট হন ৬টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৩৭ বলে ৭৫ রান করে।
এরপরও সুযোগ ছিল বাংলাদেশের। পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেট হারিয়ে ৪৪ রান করার পরও। এরপর পাল্টে যেতে থাকে গল্প। ওপেনার সাইফ হাসান ও তিনে নামা পারভেজ হোসেন ইমন ছাড়া ভারতীয় বোলারদের ধাঁধা মেলাতে পারেননি আর কেউ।
১৯ বলে ২১ রান করা ইমনকে থামিয়ে দ্বিতীয় উইকেট জুটি ভাঙেন ভারতের স্পিনার কুলদীপ যাদব। এরপর ব্যাটারদের কেবল আসা-যাওয়ার গল্প।
এক প্রান্ত আগলে ভারতের বোলারদের সামনে লড়াই করেন সাইফ। ছক্কা মেরে ৩৬ বলে টি-টোয়েন্টিতে তৃতীয় হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নেন তিনি।
১৮তম ওভারে দলীয় ১১৬ রানে নবম ব্যাটার হিসেবে আউট হন সাইফ। দুইবার জীবন পেয়ে ৩টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৫১ বলে ৬৯ রান করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ১৯.৩ ওভারে ১২৭ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। সাইফ ও ইমন ছাড়া বাংলাদেশের আর কোন ব্যাটারই দুই অংকে পা রাখতে পারেনি।
এবার বাংলাদেশের সামনে শেষ সুযোগ। পাকিস্তানকে হারিয়ে সমীকরণ মেলাতে চায় টাইগাররা।
বিভাগ : খেলাধুলা