কতটুকু স্বর্ণের গহনা শুল্কমুক্ত
নতুন ব্যাগেজ বিধিমালা (অপর্যটক যাত্রী ব্যাগেজ বিধিমালা, ২০২৫) অনুযায়ী, বিদেশ থেকে ফেরা কোনো যাত্রী বছরে একবার সর্বোচ্চ ১০০ গ্রাম পর্যন্ত সোনার অলংকার শুল্কমুক্তভাবে আনতে পারবেন। অর্থাৎ প্রায় ৮ ভরি ১০ আনার সোনার গহনা আনলেও কোনো শুল্ক দিতে হবে না। একইভাবে, রুপার অলংকার আনার সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ গ্রাম। তবে সোনা বা রুপা—যেটিই হোক না কেন, একই ধরনের গহনা ১২টির বেশি আনা যাবে না।
এ ছাড়া নতুন বিধিমালার আওতায় তোলাপ্রতি ৫ হাজার টাকা শুল্ক দিয়ে একজন যাত্রী বছরে একবার সর্বোচ্চ ১০ তোলা ওজনের একটি সোনার বার আনতে পারবেন।
কীভাবে আনবেন
বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর যাত্রীদের একটি ফরম পূরণ করতে হয়, যার নাম ব্যাগেজ ঘোষণা ফরম। এই ফরমে যাত্রীর নাম, পাসপোর্ট নম্বর, ফ্লাইট নম্বর, জাতীয়তা এবং কোন দেশ থেকে এসেছেন—এ ধরনের তথ্য উল্লেখ করতে হয়। পাশাপাশি শুল্কযোগ্য কোনো পণ্য থাকলে তার বিবরণও দিতে হয়।
তবে যদি কারও সঙ্গে ১০০ গ্রাম সোনার অলংকার বা ২০০ গ্রাম রুপার অলংকারের কম থাকে, তাহলে এই ফরম পূরণের প্রয়োজন নেই। কিন্তু নির্ধারিত সীমার বেশি হলে অতিরিক্ত অংশের জন্য শুল্ক দিতে হবে।
ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী যেসব পণ্যের ওপর শুল্ক প্রযোজ্য নয়, সেসব পণ্য নিয়ে যাত্রীরা গ্রিন চ্যানেল দিয়ে সরাসরি বিমানবন্দর ত্যাগ করতে পারবেন।
এদিকে, দেশের বাজারে আজ স্বর্ণ ভরিতে ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকায় বিক্রি হবে। রোববার (১৯ অক্টোবর) স্বর্ণ ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।