ডা. শফিকুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বলেন, "১৯৪৭ সাল থেকে শুরু করে আজকের দিন পর্যন্ত আমাদের দ্বারা যে বা যারা কষ্ট পেয়েছেন, আমরা শর্তহীনভাবে তাঁদের কাছে ক্ষমা চাইছি।" তিনি উল্লেখ করেন, এই ধরনের 'এপোলজি' (ক্ষমা প্রার্থনা) তিনিসহ পূর্ববর্তী আমির অধ্যাপক গোলাম আযম এবং মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীও কমপক্ষে তিনবার করেছেন।
তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, এ টি এম আজহার যখন কারামুক্ত হন, তখনও তিনি একই কথা বলেছিলেন যে, শুধু একাত্তর নয়, '৪৭ সাল থেকে জামায়াতের মাধ্যমে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তিনি সব ব্যক্তি ও সংগঠনের পক্ষ থেকে নিঃশর্তভাবে ক্ষমা চান এবং দেশবাসীর কাছে মার্জনা প্রত্যাশা করেন।
দলের ভুল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "আমরা মানুষ, আমাদের সংগঠনও মানুষের সমষ্টি। শতভাগ সিদ্ধান্তের মধ্যে নিরানব্বইটি সঠিক হলেও একটি ভুল সিদ্ধান্ত থাকতে পারে। সেই ভুল সিদ্ধান্তের কারণে যদি জাতির কোনো ক্ষতি হয়, সেক্ষেত্রে মাফ চাইতে আমার কোনো দ্বিধা নেই।"
রাজনৈতিক প্রসঙ্গে জামায়াত আমির আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে পিআর (Proportional Representation) সহ গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে গণভোট অনুষ্ঠানের দাবি জানান। তিনি আরও বলেন যে, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে রোজার আগে নির্বাচন হওয়া নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা নেই। জামায়াত ক্ষমতায় এলে সাংবিধানিক অধিকারের ভিত্তিতে সংখ্যালঘুরা নির্বিঘ্নে বসবাস করবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।