ক’দিন আগে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীনের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে স্বৈরাচারের আমলে অনুষ্ঠিত তিনটি বিতর্কিত নির্বাচনে দায়িত্বপালনকারী কর্মকর্তাদের আগামী সংসদ নির্বাচনে না রাখতে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা অনুরোধ জানান। তারা ৩৬ দফার একটা প্রস্তাবনামা সিইসির কাছে হস্তান্তর করেন, ওই প্রস্তাবাবলীর একটিতে বলা হয়েছে ইসলামী ব্যাংক, আল আরাফাহ ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, ইবনে সিনা প্রভৃতি প্রতিষ্ঠান জামায়াতে ইসলামীর দলীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রায় শতভাগ কর্মকর্তা ও পদাধিকারী জামায়াতপন্থী হিসেবে পরিচিত। তারা নির্বাচনী দায়িত্বে গেলে দলের পক্ষে প্রভাব বিস্তার করতে পারেন। যা হোক, যারা নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবেন, তাদের নৈতিকভাবে ও বাস্তবিকভাবে দলনিরপেক্ষ অবস্থানে অনড় থাকতে হবে। এটা নিরপেক্ষ নির্বাচনের পূর্বশর্ত। যাদের ক্ষেত্রে দলবাজি করার সন্দেহ বা আশংকা আছে, তাদের নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে বাদ দেয়াই উত্তম। এখানে স্মরণ করা যেতে পারে, নির্বাচনের যাবতীয় আয়োজন ও দায়িত্ব পালন করে নির্বাচন কমিশন। সরকার তার কাজে সহযোগিতা করে মাত্র। নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব তেমন কোনো লোকবল নেই। এত বড় নির্বাচন পরিচালনা করার ক্ষমতা তার নেই। প্রশাসনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান লোকবল দিয়ে তাকে সহায়তা করে। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করে পুলিশ, সশন্ত্র বাহিনীসহ বিভিন্ন বাহিনী। মূল দায়িত্ব যেহেতু প্রশাসন পালন করে, সুতরাং প্রশাসনকে দল নিরপেক্ষ করতেই হবে। সরকারকেই দলনিরপেক্ষ প্রশাসন নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য যা করা দরকার, নির্দ্বিধায়, দৃঢ়তার সঙ্গে তা করতে হবে।
নিরপেক্ষ করতে হবে প্রশাসনকে
আগামী বছর ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সে মোতাবেক সরকার ও নির্বাচন কমিশন প্রস্তুতিমূলক কাজ করে যাচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলোও প্রার্থী মনোয়নসহ প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছে। প্রধান...