মুম্বাইয়ের ড. ডিওয়াই পাতিল স্পোর্টস একাডেমিতে বৃষ্টির কারণে ম্যাচ শুরু হয় এদিন দুই ঘন্টা দেরিতে। পিচ কাভারে ঢাকা ছিল তিন ঘণ্টার বেশি সময় ধরে। তবে এর প্রভাব খুব একটা পড়েনি ভারত ব্যাটিংয়ে নামার পর। সপ্তাহখানেক আগেও বিশ্বকাপের ধারেকাছে ছিলেন না যিনি, সেই শেফালি ভার্মা দুর্দান্ত অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ভারতের ফাইনাল জয়ের নায়ক। মূল স্কোয়াডে তো নয়ই, রিজার্ভ তালিকাতেও ছিল না তার নাম। প্রাতিকা রাওয়াল চোট পেয়ে ছিটকে গেলে বদলি হিসেবে সেমি-ফাইনালের আগে দলে ডাক পান শেফালি। ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলতে তখন তিনি ছিলেন সুরাটে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেমি-ফাইনালে ভালো করতে না পারলেও, ফাইনালে ব্যাটে-বলে ক্যারিয়ার সেরা পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে দলকে বিশ্ব জয়ের স্বাদ দিলেন তিনি।
ব্যাটিংয়ে ৭ চার ও ২ ছক্কায় ৭৮ বলে ৮৭ রান করেন শেফালি। ছেলে কিংবা মেয়েদের যে কোনো সংস্করণের বিশ্বকাপ ফাইনালে কোনো ভারতীয় ওপেনারের সর্বোচ্চ ইনিংস এটি। পরে অফ স্পিনে নেন গুরুত্বপূর্ণ দুটি উইকেট। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে আগে পাঁচ ইনিংসে বোলিং করে তার উইকেট ছিল একটি। এবার এক ম্যাচেই নিলেন দুটি। ফাইনাল-সেরার পুরস্কার ওঠে তার হাতেই। অবদান কোনো অংশে কম নয় দিপ্তিরও। ব্যাটিংয়ে ৩ চার ও এক ছক্কায় ৫৮ বলে ৫৮ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। এই অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার বোলিংয়ে ৩৯ রানে নেন ৫ উইকেট। ছেলে কিংবা মেয়েদের বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে ব্যাটিংয়ে ফিফটি ও বোলিংয়ে পাঁচ উইকেট নেওয়া প্রথম ক্রিকেটার তিনিই। আসরের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার গেছে দীপ্তির ঝুলিতে।