calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / খেলাধুলা / ‘ভারতকে হারিয়ে খুশি করেছি’ ১৮ কোটি মানুষকে
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
খেলাধুলা বিশেষ প্রতিবেদন

‘ভারতকে হারিয়ে খুশি করেছি’ ১৮ কোটি মানুষকে

২২ বছর পর মঙ্গলবার রাতে ভারতের বিপক্ষে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। ২০০৩ সালের পর এই প্রথম বাংলাদেশের কাছে ১-০ ব্যবধানে হারল ভারতীয় ফুটবল দল। দীর্ঘ অপেক্ষার পর দেশের ১৮ কোটি মানুষকে খুশি করতে পেরে উচ্ছ্বসিত হামজা চৌধুরী।

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫ • দুপুর ১২:১৭
history আপডেট: ১১ মাস আগে
timer ৫ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১২৬ বার পঠিত


ভারতকে হারানোর পর কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরা সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন হামজা চৌধুরীকে নিয়ে। সংবাদ সম্মেলনে তাই বিশাল হাসিমুখ নিয়ে বসেন হামজা এবং প্রথমে নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। এরপর একের পর এক প্রশ্ন তাকে। বাংলাদেশের জার্সিতে সপ্তম ম্যাচে জয় পাওয়া হামজা বললেন, ‘ভারতকে হারিয়ে ১৮ কোটি মানুষকে খুশি করতে পেরেছি। পৃথিবীর আর কোথাও এটা হয়তো সম্ভব নয়। তাই এটি অবশ্যই আমার ক্যারিয়ারের সেরা সাফল্যের মধ্যে থাকবে।’

‘হ্যাঁ। মানুষ খুশি। একটা লম্বা সময় পর। তাও দুই যুগের কাছাকাছি। ২০০৩ সালের পর ভারতের বিপক্ষে জয় এলো ২০২৫ সালে। এশিয়ান কাপ বাছাই থেকে বিদায় নেওয়ার কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব হয়েছে ভারতকে হারানোর পর। আগের ম্যাচগুলোর মতো শেষ মুহূর্তে আমরা আর ম্যাচ হারাইনি বা পয়েন্ট হাতছাড়া করিনি। কারণ, আমরা বিশ্বাস করেছিলাম যে সবাই মিলে পরিস্থিতি সামলাতে পারবো। খেলোয়াড়দের জন্য, স্টাফদের জন্য আমি ভীষণ খুশি। এত পরিশ্রমের পর দলটির এমন বড় কিছু পাওয়ারই কথা ছিল,’ যোগ করেন তিনি।

আপনি কেমন অনুভব করছেন- এই প্রশ্নের জবাবে হামজা বাংলাতেই বললেন, ‘খুব ভালো লাগছে। আলহামদুলিল্লাহ, আমরা জিতেছি। আমি তো আসলে ক্যাম্পে একেবারে শেষে যোগ দিয়েছি। কোচ, কোচিং স্টাফ আর খেলোয়াড়রা প্রায় ২৩ দিন ধরে এখানে আছেন, ৫০০ ঘণ্টারও বেশি। কঠোর পরিশ্রম করে গেছেন সবাই। আলহামদুলিল্লাহ, আজ তার ফল মিলেছে।’

ভারত ম্যাচের অনুশীলনে বিলম্বে যোগ দিয়েছিলেন হামজা। ম্যাচের পর সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি আর শামিত একটু দেরিতে যোগ দিয়েছি। এসে শুধু কিছুটা মানসিকতা যোগ করার চেষ্টা করেছি। আজ আমরা সেই মানসিকতাই দেখিয়েছি মাঠে। শেষ চার ম্যাচে আমরা দারুণ খেলেছি, ট্যাকটিক্যালি খুব ভালো ছিলাম। তবে শেষ দিকে হোঁচট খাচ্ছিলাম। আজ উল্টোটা হয়েছে। হয়তো বল পায়ে ততটা ভালো ছিলাম না, কিন্তু দেখিয়েছি আমরা কতটা স্থিতিশীল হতে পারি। এবার সময় এসেছে দুই দিক একত্র করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার, ইনশাআল্লাহ।’

দারুণ এ জয়ের পরও এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশের কোনো লাভ হয়নি। কারণ, আগেই বিদায় নিশ্চিত হয়েছিল। তাই তাতে কোনো খারাপ লাগছে কি না, জানতে চাইলে হামজা বলেন, ‘আমরা জিতেছি ভালো লাগছে।’

মার্চে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের শেষ ম্যাচ বাংলাদেশের। হামজা বলেন, ‘এই ম্যাচটি এক ধরনের ফাইনাল ছিল। ২২ বছর মানুষ অপেক্ষা করেছে বড় ম্যাচ জেতার জন্য। আজ সেটাই হয়েছে। আমরা সবাই জানতাম, পারফরম্যান্স তো হচ্ছেই, দরকার ফল। আজ হয়তো পারফরম্যান্সটা পুরোদমে হয়নি, কিন্তু ফল এসেছে। এখন মার্চে আবার নতুন করে তৈরি হবো এবং দুটিকে একসঙ্গে মিলিয়ে আরও শক্ত দল হয়ে ফিরব, ইনশাআল্লাহ।