২০১৮ সালের কোটাবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে নির্বাচনি এলাকায় নুর পরিচিত অর্জন করলেও হাসান মামুন দীর্ঘদিন ধরে পটুয়াখালী-৩ আসনের বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন। এছাড়াও নুরকে জোটের প্রার্থী ঘোষণার পর দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলার মূলধরার সিংহভাগ বিএনপির নেতাকর্মী হাসান মামুনের হয়ে কাজ করছেন। দুই উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্তির পরও তারা হাসান মামুনের পক্ষে কাজ করতে অনড় রয়েছেন।
তবে ইতোমধ্যে নুর দশমিনায় গত বৃহস্পতিবার তার বক্তব্যে বলেছেন, তিনি কোনো প্রার্থীকে চ্যালেঞ্জ মনে করেন না।
এ বিষয়ে হাসান মামুন বলেন, আমি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করিনি। এলাকার সাধারণ মানুষের চাপের কারণে নির্বাচন থেকে ফিরে যাওয়ার সুযোগ নেই। ভোটগ্রহণ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব। আমার বিশ্বাস, জালিম ও জুলুমকারীদের ত্যাগ করে নিরাপদ দশমিনা-গলাচিপা গড়তে মানুষ আমাকে বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত করবেন।
এর আগে ১৭ জানুয়ারি নুরকে অসহযোগিতার কারণে পটুয়াখালীর দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।