calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / সম্পাদকীয় / বিশ্বের জন্য নতুন আশার বার্তা সউদী আরব-ইরান সম্পর্ক
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
সম্পাদকীয় বিশেষ প্রতিবেদন

বিশ্বের জন্য নতুন আশার বার্তা সউদী আরব-ইরান সম্পর্ক

দীর্ঘ দিনের বিভেদ ও বৈরিতার অবসান ঘটিয়ে সউদী আরব ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে সউদী আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুবরাজ ফয়সাল বিন ফারহান ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির...

person
বাংলার ডাক verified
Staff reporter
schedule প্রকাশ: শনিবার, ৮ এপ্রিল ২০২৩ • বিকাল ০৪:৫৪
history আপডেট: ৩ বছর আগে
timer ৭ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১০৫ বার পঠিত

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও মুসলমানদের মধ্যে ঐক্য সৃষ্টির ক্ষেত্রে সউদী আরব ও ইরানের মধ্যে পুনরায় সম্পর্ক স্বাভাবিকের উদ্যোগ অত্যন্ত ইতিবাচক এবং গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশের মধ্যকার দূরত্ব ঘুচিয়ে আনার ক্ষেত্রে চীন ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছে। সাধারণত কোনো বড় ধরনের কূটনৈতিক সমঝোতার ক্ষেত্রে ভেন্যু বা মিটিংয়ের স্থান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে। যে ভেন্যুতে মিটিং হয় তা নিয়ে উত্তেজনা তৈরি করা হয়ে থাকে এবং বিতর্কিত করার পাঁয়তারা চলে। চীনে সউদী আরব ও ইরানের এই মিটিংয়ের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বিতর্ক সৃষ্টি হয়নি বা সৃষ্টি করার সুযোগ ছিল না। এটা পশ্চিমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বটে। কারণ, আন্তরিক ও কার্যকর উদ্যোগ নিলে যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যায়, তা সউদী আরব ও ইরানের মধ্যে পুনরায় সম্পর্ক স্থাপনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া থেকেই বোঝা যায়। অথচ বিশ্বের মোড়ল হিসেবে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্ররা বিশ্বে ছড়ি ঘোরালেও শান্তি প্রতিষ্ঠায় কার্যকর কোনো ভূমিকা বা উদ্যোগ নিতে দেখা যায় না। যেখানে যুদ্ধ ও সংঘাত সেখানেই যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদেশগুলোর কোনো না কোনো সংশ্লিষ্টতা দেখা যায়। দশকের পর দশক ধরে বিশ্বে এক ধরনের উত্তেজনাকর পরিস্থিতি জিইয়ে রাখতে তারা ভূমিকা রেখেছে। মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলের আগ্রাসী ভূমিকা ও নির্বিচারে ফিলিস্তিনিদের হত্যার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদেশগুলো বরাবরই নিশ্চুপ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। শান্তি প্রতিষ্ঠায় কার্যকর উদ্যোগ না নিয়ে শুধু লিপ সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বে যুদ্ধ-বিগ্রহ লাগিয়ে রাখার ক্ষেত্রে পশ্চিমা বিশ্বের স্বার্থ ও অস্ত্র ব্যবসা একটি বড় কারণ বলে ইতোমধ্যে বিশ্লেষকরা বলেছেন। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের নেপথ্যেও পশ্চিমাদের অস্ত্র বিক্রি ও স্বার্থ রয়েছে। ইতোমধ্যে যুদ্ধ বন্ধে বহু উদ্যোগ ও কথা বললেও যুদ্ধ বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, ইউক্রেন যুদ্ধে পশ্চিমা বিশ্ব যেভাবে ইউক্রেনকে সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে তার দশ ভাগের এক ভাগ সহযোগিা দিলে বা চেষ্টা করলে মধ্যপ্রাচ্যে এতদিনে শান্তি ফিরে আসত। পশ্চিমা দেশগুলো বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। বরং যুদ্ধ-বিগ্রহের ক্ষেত্রে অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে।কার্যকর উদ্যোগ নিলে যে শান্তি প্রতিষ্ঠার দৃষ্টান্ত স্থাপন করা যায়, তা সউদী আরব-ইরানের মধ্যে পুনরায় সুসম্পর্ক স্থাপনে চীনের ভূমিকা থেকে বোঝা যায়। অত্যন্ত ত্বরিৎ ও মসৃণভাবে দুই বৈরি দেশকে এক টেবিলে চীন নিয়ে এসেছে। শান্তি প্রতিষ্ঠায় আন্তরিক হলে কোনো কিছু অসম্ভব নয়, তা এই উদ্যোগ থেকে বোঝা গেছে। বলা বাহুল্য, সউদী আরব ও ইরানের মধ্যে শিয়া-সুন্নী বিভেদ দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। এ নিয়ে যুদ্ধ-বিগ্রহ ও টানাপড়েন রয়েছে। এখন শান্তি প্রতিষ্ঠায় দেশ দুটি যে এগিয়ে এসেছে, তা মুসলমান বিশ্বের জন্য অত্যন্ত আনন্দের। এতে মুসলিম বিশ্ব আরও শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ হবে। বিশ্ব এখন স্পষ্টতই দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। চীন, রাশিয়া, ইরান, সউদী আরব, তুরস্ক, পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে বলয় তৈরি হয়েছে। ইউনিপোলার থেকে বের হয়ে বাইপোলারের দিকে বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে। এই পোলারাইজেশনের অংশ হিসেবে শান্তি প্রতিষ্ঠায় উল্লেখিত দেশগুলো দ্রুত ভূমিকা পালন করে চলেছে, যার বড় উদাহরণ সউদী আরব ও ইরান। এই দুই দেশের মধ্যে নতুন করে সুসম্পর্ক তৈরি বিশ্বশান্তির জন্য নতুন বার্তা।



tag ট্যাগ: #2222