calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / রাজনীতি / সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ যে কারণে নেননি রুমিন ফারহানা
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
রাজনীতি বিশেষ প্রতিবেদন

সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ যে কারণে নেননি রুমিন ফারহানা

সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা। সরকারি দল বিএনপি এই শপথ নেয়নি। যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬ • বিকাল ০৩:৫২
history আপডেট: ৬ মাস আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১৫০ বার পঠিত

সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।  

সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়া প্রসঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, যারা এই সংবিধানটা বাতিল করতে চাইতেন, তারা এটা ডে ওয়ানে করতে পারতেন। আপনারা পুরো বিষয়টিকে (জুলাই অভ্যুত্থান) বিপ্লব বলে একটা বিপ্লবী সরকার গঠন করে, তারপরে সংবিধানটাকে হয় সাসপেন্ড করতেন, না হলে বলতেন এই সংবিধান আর থাকবে না। আমরা একটা নতুন সংবিধান লিখব। 

সম্প্রতি আর জে কিবরিয়ার একটি শো’তে অংশ নিয়ে রুমিন ফারহানা এসব কথা বলেন।  

এই সংসদ সদস্য বলেন, আমি একদিন এই প্রশ্নটা তুলেছিলাম এটা কি অভ্যুত্থান না বিপ্লব। যদি এটা অভ্যুত্থান হয় তাহলে সংবিধান স্টিল ওয়ার্কিং। সংবিধান বলবৎ করছে এখনও। তাই যদি করে তাহলে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শেখ হাসিনা থাকবেন, আছেন। অনেক কিছুই ওইভাবে চলবে। এই কথাগুলো তখন তীব্র পলিটিক্যিাল বিতর্কের জন্ম দেয়। কিন্তু এটা নিয়ে কনস্টিটিউশনাল ডিবেট হওয়া দরকার ছিল। কিন্তু সেটা হয়নি। সেটা না হয়ে আমি রুমিন ফারহানার ঘাঁড়ের ওপর পলিটিক্যাল কাঁদা ছোড়া-ছুড়ি হয়ে গেল।

রুমিন ফারহানা বলেন, আমি যেহেতু সংবিধান অনুযায়ী একটা শপথ নিয়েছি, সেটা অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়াটা  সেই সংবিধানেই রয়ে গেছে। সো আমি গণপরিষদের শপথ সেই সংবিধান অনুযায়ী আর নিতে পারি না। এখানে একটা লিগ্যাল কনফ্লিক্ট হয়ে যায়।

নারী এই সংসদ সদস্য বলেন, এখন একটা প্রশ্ন হলো বিএনপি তাহলে কেন এই বিষয়টি অনেক আগেই পরিষ্কার করে নাই। তাহলে তো এটা বিএনপির তরফে একধরনের দ্বৈত দ্বিচারিতা, আর এক ধরনের প্রতারণা। এটা যারা ওই সংবিধান সংশোধন কমিটিতে ছিল, দিনের পর দিন বৈঠক করেছে, প্রধানমন্ত্রীসহ হ্যাঁ ভোটের পক্ষে ক্যাম্পেইন করেছে, তারপর তাদের এই রিটট্রেইট।   

রুমিন বলেন, বিএনপি দলগতভাবে তাদের সিদ্ধান্ত নেবে। আমি স্বতন্ত্র এমপি হিসেবে বা আইনজীবী হিসেবে আমার মতো করে সিদ্ধান্ত নেব। জামায়াত তাদের মতো করে সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদের ব্যাপারে আলোচনা করল, গণভোট হলো, হ্যাঁ ভোটের পক্ষে গেল, তারপরে তাদের সই না করার ব্যাখ্যাটা তাদেরকেই দিতে হবে।