calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / অর্থনীতি / বাংলাদেশের পাশে আইএমএফ-বিশ্বব্যাংক,অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায়
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
অর্থনীতি বিশেষ প্রতিবেদন

বাংলাদেশের পাশে আইএমএফ-বিশ্বব্যাংক,অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায়

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন বহুপাক্ষিক উন্নয়ন সংস্থার কাছ থেকে বড় অঙ্কের আর্থিক সহায়তার আশ্বাস পেয়েছে।...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ • বিকাল ০৩:৪০
history আপডেট: ৬ মাস আগে
timer ৩ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১১৪ বার পঠিত

সরকারের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, আগামী জুন পর্যন্ত জ্বালানি তেল, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এবং সার আমদানিতে অতিরিক্ত প্রায় ২.৬১ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে। একই সময়ে এসব খাতে মোট আমদানি ব্যয় প্রায় ৫.৬২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৮৬.৭ শতাংশ বেশি।

 

এই বাড়তি চাপ সামাল দিতে সরকার দাতা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলারের জরুরি অর্থসহায়তা চেয়েছে। আইএমএফ ইতিমধ্যেই উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য ৫০ বিলিয়ন ডলারের জরুরি সহায়তা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। অন্যদিকে বিশ্বব্যাংক আগামী ১৫ মাসে প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা তহবিল ব্যবহারের পরিকল্পনা নিয়েছে। বাংলাদেশ এসব উদ্যোগ থেকে সহায়তা পাওয়ার চেষ্টা করছে।

আইএমএফের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন ওয়াশিংটনে বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে অতিরিক্ত সহায়তা নিয়ে আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশ হওয়ায় বৈশ্বিক সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়েছে। আমরা নীতি সহায়তা ও কর্মসূচির মাধ্যমে কাজ করছি।”

 

তবে নিয়মিত অর্থছাড়ের জন্য বাংলাদেশকে আইএমএফের নির্ধারিত কিছু সংস্কার শর্ত পূরণ করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি, বিনিময় হার সমন্বয় এবং আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। দাতা সংস্থাগুলো এ বিষয়ে এখনো কিছু উদ্বেগ প্রকাশ করছে।