অভিযোগ রয়েছে, ওই দিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে আসামিরা সংঘবদ্ধভাবে দুদুকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যায় এবং নির্মমভাবে মারধর করে। একপর্যায়ে তার নাকে গরম পানি ঢেলে নির্যাতন চালানো হয়। নির্যাতনের কারণে দুদুর শরীর নিথর হয়ে পড়লে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে আলমডাঙ্গা হাউসপুরের শরিফুলের ক্লিনিকে নিয়ে যায় নির্যাতনকারীরা। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুদুকে মৃত ঘোষণা করার পর, তারা কৌশলে মরদেহটি সেখান থেকে সরিয়ে হাউসপুর বটতলায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল জানান, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যেকোনো অপরাধের বিচার আইনি প্রক্রিয়াতেই হতে হবে। এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।