সূত্রগুলো বলছে, আঞ্চলিক ভূরাজনীতি এবং ভারত–চীন প্রতিযোগিতার বাস্তবতায় প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফরের গন্তব্য নির্ধারণে বিশেষ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। সে কারণে দিল্লি বা বেইজিংয়ের পরিবর্তে তৃতীয় কোনো দেশ হিসেবে মালয়েশিয়াকে বেছে নেওয়া হয়।
এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং–এর পক্ষ থেকেও সফরের আমন্ত্রণ আসে বলে কূটনৈতিক সূত্র জানায়। শেষ পর্যন্ত প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরের জন্য মালয়েশিয়াকেই বেছে নেওয়া হয়।
ঢাকা ও কুয়ালালামপুরের কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, গত ২৪ মে সম্ভাব্য সফর নিয়ে মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ শুরু করে বাংলাদেশ হাইকমিশন। পরে ১ জুন কূটনৈতিক পত্রের মাধ্যমে আনোয়ার ইব্রাহিমের পক্ষ থেকে ২১ ও ২২ জুনের সফরসূচি নিশ্চিত করা হয়।
আলোচ্যসূচি এখনো চূড়ান্ত না হলেও সফরে অভিবাসন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিক্ষা খাতে সহযোগিতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।
কূটনীতিকদের মতে, মালয়েশিয়া শুধু শ্রমবাজার নয়; শিক্ষা, বিনিয়োগ ও উৎপাদনশিল্পে নতুন অংশীদারত্বের ক্ষেত্র হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছে। বর্তমানে দেশটিতে প্রায় ১১ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। বিদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাংলাদেশিদের অবস্থান দ্বিতীয়।