এটি কেবল পজিশনাল অফসাইড নির্ধারণ করবে, কিন্তু সাবজেক্টিভ কল (যেমন প্রতিপক্ষকে প্রভাবিত করা হয়েছে কিনা) নির্ধারণ করবে না।
নিরাপত্তা ও খেলোয়াড়দের সুরক্ষার কাজেও ব্যবহার হবে প্রযুক্তি। ফিফা আশা করছে, এই প্রযুক্তি সমর্থক ও খেলোয়াড়দের হতাশা কমাবে এবং অপ্রয়োজনীয় খেলা চালিয়ে যাওয়ার কারণে আঘাতের ঝুঁকি হ্রাস করবে।
প্রতিটি খেলোয়াড়ের ডিজিটাল স্ক্যান করা হবে, যা মাত্র এক সেকেন্ড সময় নেবে। ৪৮ দলের ২৬ জন করে মোট ১,২৪৮ খেলোয়াড়ের স্ক্যান করা হবে। এর ফলে আরও স্পষ্ট ও উন্নত অফসাইড অ্যানিমেশন ব্যবহার করা যাবে।
এছাড়া যুক্ত হচ্ছে আউট অব বাউন্ডস ও লাইন অব সাইট নামে নতুন প্রযুক্তি। বল গোলের আগে মাঠের বাইরে গেছে কিনা তা নির্ধারণে নতুন এই প্রযুক্তি অনুমোদন করেছে ফিফা। বলের অবস্থান দেখাতে গোললাইন প্রযুক্তির মতো থ্রিডি অ্যানিমেশন তৈরি হবে।
বলের ভেতরে থাকা চিপ জানাবে কোন খেলোয়াড় সর্বশেষ বলে স্পর্শ করেছেন, ফলে কর্নার সঠিক হয়েছে কিনা তা যাচাই করা যাবে।
গোলকিপারের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে অফসাইড বিচার করতে ভার্চুয়াল ফিড ব্যবহার করা হবে। ভিএআর ও টিভি দর্শকরা গোলকিপারের দুই ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে রিপ্লিকা দেখতে পাবেন।
এই প্রযুক্তি বিশ্বকাপে রেফারিদের সিদ্ধান্তকে আরও দ্রুত, নির্ভুল ও স্বচ্ছ করবে বলে আশা করছে ফিফা।