অধিনায়ক হিসেবে রোহিতকে ছাড়িয়ে যাওয়া শতকে সব মিলিয়ে রেকর্ডে রোহিতের এক ধাপ কাছে এগোলেন বাবর। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ৪ শতকের রেকর্ড রোহিতের। ৩ শতকে বাবর সঙ্গী হলেন ভারতের সূর্যকুমার যাদব, অস্ট্রেলিয়ার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, নিউজিল্যান্ডের কলিন মানরো ও চেক প্রজাতন্ত্রের সাবাউন দাভিজির । বাবরের প্রাপ্তি শেষ নয় এখানেই। ঘরোয়া-আন্তর্জাতিক সব মিলিয়ে তার নবম সেঞ্চুরি এটি। ২০ ওভারের স্বীকৃত ক্রিকেটে সেঞ্চুরির তালিকায় এখন তিনি এককভাবে দুইয়ে। ৮ সেঞ্চুরিতে এখন যৌথভাবে তিনে নেমে গেছেন তিন অস্ট্রেলিয়ান- ডেভিড ওয়ার্নার, মাইকেল ক্লিঙ্গার ও অ্যারন ফিঞ্চ। ২২ সেঞ্চুরি নিয়ে এখানে সবার ধরাছোঁয়ার বাইরে ক্রিস গেইল। ম্যাচ সেরা বাবর সংবাদ সম্মেলনে দিলেন উদারতার পরিচয়, ‘শেষ পর্যন্ত জিততে পেরে ভালো লেগেছে। আশা করি পরের ম্যাচে সিরিজ জয় নিশ্চিত করতে পারব। সত্যি বলতে ব্যক্তিগত মাইফলক নিয়ে আমার কোনো ভাবনা নেই।’ এই লাহোরেই বাংলাদেশ সময় আজ রাত ১০টায় ৫ ম্যাচ সিরিজের তৃতীয়টিতে নামবে দু’দল।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানকে ৯৯ রানের জুটি এনে দেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও বাবর। আগের ম্যাচে পাওয়ার প্লেতে ফেরা দুই ডানহাতি ব্যাটসম্যান গড়েন ৯৯ রানের জুটি। রিজওয়ান ৩৪ বলে করেন ৫০ রান। এরপর ৬ রানের ব্যবধানে ৪ উইকেট হারালে চাপে পরে স্বাগতিকরা। সেখান থেকে ইফতেখার আহমেদকে নিয়ে অবিচ্ছিন্ন ৮৭ রানের জুটি গড়েন বাবর। ইফতেখারের অবদান ১৯ বলে ৩৩ রান।
আগের ম্যাচের তুলনায় হারের ব্যবধান কম হওয়া সত্ত্বেও রান তাড়া করতে নেমে কখনই জয়ের সম্ভাবনা জাগাতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। দুই ওপেনার টম ল্যাথাম ও চ্যাড বাওয়েস কচ্ছপ গতিতে যথাক্রমে ১৯ ও ২৬ রান করেন। হার না মানা ৪০ বলে ৬৫ রান করা মার্ক চাপম্যানকে কেউই সঙ্গ দিতে পারেনি। অন্যদিকে আগের ম্যাচের মত এই ম্যাচেও কিউইদের ব্যাটিং মেরুদন্ড ভেঙে দেন হারিস রউফ। ২৭ রান খরচায় ৪ উইকেট নেন এই পেসার।
পাকিস্তান বাবরের বিশ্বরেকর্ডে জিতল
ম্যাচের প্রথম ইনিংসের খেলা চলছিল। অথচ লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামের প্রতিটি দর্শক এমন ভাবে ২২ গজের দিকে চোখ রেখেছিলেন যে মনে হচ্ছিল জয় পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে পাকিস্তান। অবশ্য রোমাঞ্চের জন্ম দিয়ে ম্যাচটাকে এমন টানটান...