calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / রাজনীতি / স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকার দিয়ে আসে মাদকের বড় চালান , বদীর পর দায়িত্ব কে নিয়েছে?: সংসদে গয়েশ্বরের প্রশ্ন
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
রাজনীতি বিশেষ প্রতিবেদন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকার দিয়ে আসে মাদকের বড় চালান , বদীর পর দায়িত্ব কে নিয়েছে?: সংসদে গয়েশ্বরের প্রশ্ন

ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, দেশের মাদকের সবচেয়ে বড় চালান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকার আশপাশ দিয়ে আসে। আগে শুনতাম বদী, এখনতো বদী নাই, বদীতো ভয় পেয়ে গেছে গা। এখন...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬ • বিকাল ০৫:০০
history আপডেট: ৩ মাস আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৯৪ বার পঠিত

২৭ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এসব কথা বলেন।

উল্লেখ্য, আলোচিত সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদী বর্তমানে কারাগারে বন্দি আছেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, দেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এখন মাদকাসক্তি। তার নিজের নির্বাচনী এলাকার একটি হাসপাতালের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, আমার এলাকায় হাসপাতালের সাইনবোর্ড লেখা আছে। আমাদের সাবেক মন্ত্রী মোশাররফ ভাই উদ্বোধন করেছেন, তার নাম লেখা আছে, আমানউল্লাহ আমান উপস্থিত ছিলেন এমন নামফলক আছে। কিন্তু ১০ শয্যা বিশিষ্ট সেই হাসপাতালটি এখন পুরাই মাদকের আখড়া। সেখানে কোনো রোগী, ডাক্তার ও দারোয়ান নেই। একটা নির্বাচনী এলাকায় ১০ শয্যার হাসপাতাল আছে, এটা নিয়ে কি গর্ব, অহংকার, কত কিছু করে ফেলছি। সেখানে আদমশুমারি অনুযায়ী লোক সংখ্যা ৬ লাখ হলেও বেসরকারিভাবে ১৫ লাখ লোকের বসবাস। অথচ সেখানে যে একটি হাসপাতাল আছে, সেটিও এখন মাদকাসক্ত।

 

বাজেট ও দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বিএনপির এই স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হবে। সেটা না হলে দুর্নীতির চাপে তলিয়ে যাবে সারা জাতি।

 

সংসদ সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে অন্য এক সদস্যের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, এক সদস্য আমাদের পক্ষ থেকে ওয়াশিং মেশিন দাবি করেছেন। আমি ওয়াশিং মেশিনের নাম শুনেছি, কিন্তু দেখিনি, ব্যবহারও করি নাই। সেই সংসদ সদস্যকে বলবো, আপনার দরকার হলে স্পিকারের কাছে চান। আমার দরকার নেই। তাই সংসদ দিলেও আমি নেব না। আমি চিনি না, ব্যবহারও করতে পারি না। সংসদ সদস্যদের অভাব যদি ওয়াশিং মেশিন হয়, তাহলে দেশের মানুষের অভাবতো অনেক, সেটার দিকে তাকালে বুঝতে পারবেন, এ বাজেট অর্থবহ, বড় বাজেট নয়।