সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত সরকার টু সরকার (জি-টু-জি) প্রক্রিয়ায় ১৬ লাখ টন জ্বালানি তেল কেনার প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত হয়ে আছে। এ ব্যাপারে সরবরাহকারী কোম্পানির সঙ্গে সমঝোতা শেষ হয়েছে। ওই সমঝোতা অনুযায়ী উন্মুক্ত দরপত্রের চেয়ে ৭০০ কোটি টাকা কম প্রিমিয়ামে (জাহাজ ভাড়া) তেল সরবরাহ করতে রাজি হয়েছে ৪-৫টি কোম্পানি।
অন্যদিকে, দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তির আওতায় গত মার্চ মাস থেকে কোনো কোম্পানি এলএনজি সরবরাহ করছে না। পেট্রোবাংলা স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কিনছে। এখন আগামী দিনে স্পট মার্কেট থেকেই এলএনজি কিনতে হবে বাংলাদেশকে।
পেট্রোবাংলার পরিচালক (অর্থ) একেএম মিজানুর রহমান রোববার যুগান্তরকে বলেন, হরমুজ বন্ধ থাকলে তেল এবং এলএনজির দাম বাড়বে। এটা বাংলাদেশের জন্য চিন্তার। গত মাসে যুদ্ধবিরতির কারণে এলএনজির দাম অনেক কমে এসেছিল। এখন বিশ্ববাজারে এলএনজির দাম কী হয় সেটা দেখার বিষয়।