তিনি বলেন, ২৪-এর ১৯ জুলাই জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিএনপির সমাবেশ ছিল। সে সময় যোগাযোগব্যবস্থা কার্যত বন্ধ ছিল। নানা বাধা পেরিয়ে প্রেস ক্লাবে পৌঁছানোর পর পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড, গুলি ও লাঠিচার্জ করে। পরে আমাকে গ্রেফতার করা হয় এবং আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
রিজভী বলেন, কারাগারে থাকাকালে আমি আন্দোলনের বিস্তার সম্পর্কে জানতে পারি। একই সঙ্গে বিএনপির বিভিন্ন নেতার ওপর নির্যাতনের অভিযোগও করেন তিনি।
শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, শিশু হত্যাকারী, কিশোর হত্যাকারী, তরুণ হত্যাকারীর মাফ হবে কী করে? তার দাবি, যে রক্তপাত হয়েছে, তার পর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ থাকা উচিত নয়।
তিনি বলেন, সরকারের সমালোচনার পাশাপাশি ভালো কাজেরও মূল্যায়ন করা উচিত। জুলাই আন্দোলনে যাত্রাবাড়ী, শনির আখড়া, রায়েরবাগসহ বিভিন্ন এলাকায় এবং সারা দেশে নিহতদের স্মরণ করেন রিজভী। তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর প্রমুখ।