মামলার বাদী শামীম শেখ বলেন, হত্যাকাণ্ডের ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও অধিকাংশ আসামি ধরাছোঁয়ার বাইরে। তার অভিযোগ, আসামিরা এখনো প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। তবে প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে তিনি দাবি করেন।
টগরবন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিয়া আসাদুজ্জামান বলেন, স্থানীয় আধিপত্যকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের বিরোধ দীর্ঘদিনের। সেই বিরোধের ধারাবাহিকতায় পালটা-পালটি সংঘর্ষের পর সুমন শেখ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
আলফাডাঙ্গা থানার ওসি ফকির ফাইজুর রহমান এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেন।
ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শামসুল আজম বলেন, হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। প্রতিপক্ষের বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগও তদন্ত করা হচ্ছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় এখন পর্যন্ত পৃথক কোনো মামলা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, সুমন শেখ হত্যা মামলার তদন্তভার আলফাডাঙ্গা থানা থেকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।