ড. সাহেদুল ইসলাম বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে (বিইউপি) অনুষদের ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে কোষাধ্যক্ষ ও অধ্যাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনেও তার গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা রয়েছে।
বিজিএমইএর নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন মহাসচিবের প্রশাসনিক দক্ষতা, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা এবং কৌশলগত নেতৃত্ব দেশের তৈরি পোশাক শিল্পকে আরো প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে সহায়তা করবে। বিশেষ করে, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, বৈশ্বিক বাজারে অবস্থান শক্তিশালী করা এবং উদীয়মান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে তাদের প্রত্যাশা।
দায়িত্ব গ্রহণের পর ড. মো. সাহেদুল ইসলাম বলেছেন, “দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস তৈরি পোশাক শিল্পের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনে যুক্ত হতে পেরে আমি গর্বিত।”
বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পণ্য ও বাজার বহুমুখীকরণ, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা জোরদারে বিজিএমইএর পরিচালনা পর্ষদ ও উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।