সকাল ১১টায় তিনি স্কুলে পৌঁছালে তাঁকে ফুলেল ও আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান স্কুলের প্রিন্সিপাল মাওলানা এম. এ. কাদির আল হাসান এবং শিক্ষকবৃন্দ।
শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে তিনি যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের অন্যতম বৃহৎ ইসলামি মারকাজ লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের সুবিশাল ক্যাম্পাস ঘুরে দেখেন। এ সময় তাঁকে দ্য ব্রিটিশ মুসলিম স্কুলের শিক্ষা কার্যক্রম, দারুল কিরাত মজিদিয়া ফুলতলী ট্রাস্ট ইউকে অনুমোদিত "ইনটেনসিভ কিরাত অ্যান্ড তাজবিদ কোর্স", হিফজ বিভাগ, ফুলটাইম বোর্ডিং এবং ডে মাদ্রাসা, উইকেন্ড এবং ইভিনিং মাদ্রাসা, পাশাপাশি ব্রিটিশ জাতীয় কারিকুলামের সমন্বয়ে পরিচালিত একাডেমিক ব্যবস্থাপনা এবং শিক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীণ বিকাশে সুন্নাহ অনুসরণে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত করা হয়। যুক্তরাজ্যে দ্বীনি ও আধুনিক শিক্ষার এমন সুষম সমন্বয়, সুসংগঠিত ব্যবস্থাপনা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ইসলামী মূল্যবোধসম্পন্ন আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার এ মহতী প্রচেষ্টা দেখে তিনি অত্যন্ত আবেগাপ্লুত হন এবং সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের নিরলস খেদমতের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং এই দ্বীনি-শিক্ষা কার্যক্রমের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধিও কামনা করেন।
স্কুলের প্রিন্সিপাল মাওলানা এম. এ. কাদির আল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-দারুল হাদিস লতিফিয়া নর্থওয়েস্টের প্রিন্সিপাল মাওলানা সালমান আহমদ চৌধুরী, সিরাজাম মুনিরা জামে মসজিদ অ্যান্ড এডুকেশন সেন্টার বার্মিংহামের পরিচালক আলহাজ্ব হাফিজ সাব্বির আহমদ, লতিফিয়া ফুলতলী কমপ্লেক্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাওলানা রফিক আহমদ, আলহাজ্ব কাজী আঙ্গুর মিয়া এবং স্যান্ডওয়েল গ্র্যান্ড মসজিদের খাদিম মো. আব্দুল লতিফ।
দারুল কিরাতের শিক্ষক মাওলানা গুলজার আহমদ খান জামির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দ্য ব্রিটিশ মুসলিম স্কুলের শিক্ষক মাওলানা আখতার হোসাইন জাহেদ, হাফিজ আব্দুল্লাহ আল নাঈম ও হাফিজ হোসাইন আহমদ প্রমুখ।