এর আগে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগের জন্য সলিসিটরকে নির্দেশ দেন। পরে ২৫ জুন সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের পক্ষে আইনি লড়াই করতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাফিজুর রহমান খানকে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী করা হয়।
গত ৭ জুন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেন। একই সঙ্গে সোহেলকে পাঁচ লাখ এবং স্বপ্নাকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
রায়ের পর দুই আসামিকে কারাগারের কনডেম সেলে রাখা হয়। পরে তারা দণ্ডের বিরুদ্ধে জেল আপিল করেন। একই সঙ্গে আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। ৯ জুন পূর্ণাঙ্গ রায় ও ডেথ রেফারেন্সসহ মোট ৭২ পৃষ্ঠার নথি উচ্চ আদালতে পৌঁছায়।
পুলিশের অভিযোগপত্র অনুযায়ী, রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে মামলা হয়। তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয় এবং বিচারিক আদালতে সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণের পর রায় ঘোষণা করা হয়।
এখন হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের জেল আপিল একসঙ্গে শুনানি হবে। শুনানিতে নিম্ন আদালতের রায়, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করে মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকবে কি না, সে বিষয়ে উচ্চ আদালত সিদ্ধান্ত দেবেন।