calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / সম্পাদকীয় / রাজধানীর অপরাধচিত্র
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
সম্পাদকীয় বিশেষ প্রতিবেদন

রাজধানীর অপরাধচিত্র

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ৫০টি থানা নিয়ে গঠিত আটটি বিভাগের কোন এলাকায় কী ধরনের অপরাধ বেশি সংঘটিত হয়, থেকে তা বিশ্লেষণ করে রাজধানীর অপরাধের একটি চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

person
স্টাফ রিপোর্টার verified
Junior Reporter
schedule প্রকাশ: শুক্রবার, ৫ মে ২০২৩ • দুপুর ১২:০৮
history আপডেট: ৩ বছর আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৬৪ বার পঠিত

এতে দেখা যাচ্ছে, খুনের ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটে ওয়ারীতে। এ বিভাগের থানাগুলো হলো-ওয়ারী, ডেমরা, শ্যামপুর, যাত্রাবাড়ী, গেন্ডারিয়া ও কদমতলী। অর্থাৎ এলাকাটি হলো পুরান ঢাকা। চুরি-ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা বেশি ঘটে তেজগাঁওয়ে।

এ বিভাগের থানাগুলো হলো-তেজগাঁও, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, মোহাম্মদপুর, আদাবর, শেরেবাংলা নগর ও হাতিরঝিল। এছাড়া চাঁদাবাজির ঘটনা বেশি ঘটে মিরপুর এবং নারী নির্যাতনের ঘটনা মতিঝিল বিভাগে। বিস্ফোরক দ্রব্যসংক্রান্ত অপরাধ বেশি লালবাগ বিভাগে। বলার অপেক্ষা রাখে না, এ পরিসংখ্যানের ভিত্তি হলো মামলার সংখ্যা। তা সত্ত্বেও এ থেকে রাজধানীর কোন এলাকায় কোন ধরনের অপরাধপ্রবণতা বেশি, এর একটি ধারণা মেলে।

একেকটি এলাকায় বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর শ্রেণি ও পেশার ধরন, বসবাসের পরিবেশ এবং জনঘনত্বের প্রভাব পড়ে থাকতে পারে অপরাধের ধরন ও ব্যাপকতার ওপর। সে অনুযায়ী নেওয়া যেতে পারে প্রতিকারের ব্যবস্থা।

বস্তুত প্রতিটি এলাকায়ই ঘটে থাকে সব ধরনের অপরাধ। কোথাও কোনো অপরাধ বেশি, কোথাও বা কম। তবে এক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রবণতা যে সব সময় একই থাকবে, এমনটি মনে করার কারণ নেই। তাই সর্বত্রই জননিরাপত্তার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকতে হবে। রাজধানীতে নানা ধরনের অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে।

এর মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে চুরি-ডাকাতি, ছিনতাই, প্রতারণার ঘটনাই ঘটছে বেশি। খুন, ধর্ষণ, হত্যাচেষ্টার মতো গুরুতর অপরাধও সংঘটিত হচ্ছে মাঝেমধ্যে। এসব ঘটনা নগরবাসীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাজেই অপরাধ দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও তৎপর হতে হবে। এটা ঠিক, জনবহুল এ নগরীর কে কোথায় কীভাবে অপরাধ সংঘটিত করবে, তা আগাম আন্দাজ করা কঠিন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এত জনবল নেই যে তারা প্রত্যেক নাগরিককে নজরদারিতে রাখতে পারে।

তারপরও আমরা বলব, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা বাড়িয়ে অপরাধ কমিয়ে আনা সম্ভব। আমাদের কথা হলো-আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে শুধু অপরাধীদের গ্রেফতারে নয়, অপরাধপ্রবণ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও সক্রিয় হতে হবে। অপরাধপ্রবণ ব্যক্তিরা যাতে অপরাধী হয়ে উঠতে না পারে, সেদিকটায় খেয়াল রাখলে সমাজ অনেক অঘটন থেকে রক্ষা পাবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

tag ট্যাগ: #111