পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, প্রথম ঘণ্টা শেষে বেলা ১১টায় ১২১ শেয়ারের দরবৃদ্ধির বিপরীতে ৩১টির দর কমে কেনাবেচা হচ্ছিল। মাঝে ১৬০ শেয়ারের বেশি দর বেড়ে কেনাবেচা হয়। কিন্তু শেষ হয় ৪৫ শেয়ারের দরবৃদ্ধির বিপরীতে ১১৭টির দরপতনে। লেনদেনে আসা আরও ১৭৫ শেয়ারের দর অপরিবর্তিত বা ফ্লোর প্রাইসে পড়ে ছিল। ক্রেতার অভাবে ৫৫ শেয়ারের কোনো লেনদেনই হয়নি। সাকল্যে কেনাবেচা হয়েছে ৭২৩ কোটি টাকার শেয়ার।
পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গতকাল বীমা খাতের ৫৭ শেয়ারের মধ্যে ৩৭টির দর কমেছে, বেড়েছে ৯টির। গড়ে এ খাতের শেয়ারদর কমেছে সোয়া ৩ শতাংশ। খাতওয়ারি দরপতনে এটিই ছিল সর্বোচ্চ। দরপতনের শীর্ষে ছিল থাকা সোনালী লাইফ, ইউনিয়ন, মেঘনা লাইফ, গ্লোবাল, প্রাইম লাইফ, প্রগ্রেসিভ লাইফের শেয়ারদর ৮ থেকে ১০ শতাংশ পতন হয়েছে।
বাজারসংশ্লিষ্টরা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বীমার শেয়ারগুলোর দর বেড়েছিল সবচেয়ে বেশি। এখন বড় বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতায় এ শেয়ারগুলো বেশি দর হারাচ্ছে। যেমন– গতকাল দরপতনের শীর্ষে থাকা সোনালী লাইফের শেয়ারদর মাত্র এক মাসে ৮৪ শতাংশ বেড়ে গত ১১ জুন ১১৮ টাকায় উঠেছিল। দরপতনে শেয়ারটির দর ৯৫ টাকায় নেমেছে।
একইভাবে ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্সের দর ৫৭ শতাংশ বেড়ে গত ৪ জুন ৬২ টাকায় ওঠার পর এখন ৫১ টাকায় নেমেছে। এক মাসের মেঘনা লাইফের দর দ্বিগুণ বেড়ে গত ৮ জুন ১৩৮ টাকা ছাড়ায়। এরপর টানা দরপতনে ৯৬ টাকায় নেমেছে। গত চার দিনে শেয়ারটি সর্বোচ্চ ২৭ শতাংশ দর হারিয়েছে। গত চার দিনের দরপতনে এর পরের অবস্থানে থাকা রূপালী লাইফ ২২ শতাংশ, প্রগতি লাইফ ২১ শতাংশ, পপুলার লাইফ ২১ শতাংশ, প্রগ্রেসিভ লাইফ প্রায় ২০ শতাংশ দর হারিয়েছে।