মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সোনাডাঙ্গা থানার এস আই উত্তম কুমার মিত্র তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ২৯ জুলাই আদালতে বিস্ফোরক আইনে একটি এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে আরেকটি চার্জশিট দাখিল করেন। দুটি মামলাতেই মহানগর বিএনপির তৎকালীন সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু ও বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান মুরাদসহ ৬৬ জনকে আসামি করা হয়।
গত বছর ৯ নভেম্বর জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে মামলার বিচার কাজ শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে ২ জন আসামি মৃত্যুবরণ করায় তাদেরকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারায় আদালত দুটি মামলাতেই ৬৪ জন আসামিকে সোমবার খালাস দেন।
রায়ের ব্যাপারে বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ‘ভোট ডাকাতির’ নির্বাচনের আগে মাঠ ফাঁকা করার জন্য কাল্পনিক অভিযোগ দিয়ে এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। নভেম্বর মাসে নগরীর ৭টি থানায় ৫৩টি নাশকতার গায়েবি মামলা দিয়েছিল পুলিশ। যার সবগুলোই কাল্পনিক এবং রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা।