মারধরে আহত নাজমুল হোসেনকে উদ্ধার করে আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (হারদি হাসপাতাল) ভর্তি করেন তাঁর সহকর্মীরা।
আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাদী জিয়া উদ্দিন আহমেদ বলেন, রোববার বিকেল ৬টার পরে নাজমুল হোসেনকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। তিনি কিল–ঘুষিতে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন।
ঘটনা জানতে চাইলে ভুক্তভোগী নাজমুল হোসেন বলেন, ‘ডিজি বরাবর চিঠিতে মনিরুজ্জামান একাধিক ভুল করলে সংশোধন করতে বলা হয়। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে কিলঘুষি মারতে থাকেন।’
অভিযুক্ত উচ্চমান সহকারী মনিরুজ্জামান বলেন, একটি চিঠি ইস্যু করা নিয়ে নাজমুল হোসেনের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছিল।পরে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালকের উপস্থিতিতে ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক সিদ্দিকা সোহেলী রশীদ বলেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদনে দোষী সাব্যস্ত হলে উচ্চমান সহকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) স্নিগ্ধা দাস বলেন, বিষয়টি জেনেছেন তিনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।