এসব এলাকায় গিয়ে দেখা যায় দুস্থ পরিবারগুলোর ভোগান্তি। উপজেলর পত্তাশী ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের বিধবা রেনু বালা জানান, তার দেখভালের মতো কোন লোক নেই। বৃষ্টির কারণে ছুটা কাজেও যেতে পারছেন না। ভাঙা টিনের ঘরে পড়োছে পানি। পলিথিন টানিঙে কোনমতে মাথা গুঁজে দিন কাটাচ্ছেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, এ উপজেলায় নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টিতে জনজীবন অচল হয়ে পড়েছে। নিম্ন আয়ের মানুষ কাজ করতে না পারায় তারা সমাস্যায় আছে। তাঁদের জন্য ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থা মন্ত্রণালয় জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে ৫ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে।
ইউএনও লুৎফুন্নেসা খানম জানান, তিন ধরে বিরামহীম বৃষ্টিতে থমকে গেছে এখানকার জীবনের গতি। উপজেলার অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অসহায় মানুষের তালিকা করে দ্রুত সেগুলো বিতরণ করা হবে।