সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক ম্যাথিউ মিলারের কাছে বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রতিস্থাপন নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গটি তোলেন।
ওই সাংবাদিক বলেন, বাংলাদেশ সরকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংস্কার করতে চলেছে। বিতর্কিত এই আইনের ব্যবহার ও প্রয়োগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বেশ সমালোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই আইনের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্তের পর যুক্তরাষ্ট্রের কী এ সম্পর্কে কোনো মূল্যায়ন আছে এবং আইনটি কোন দিকে যেতে পারে বলে আপনি মনে করেন?
জবাবে ম্যাথিউ মিলার বলেন, বাংলাদেশের মন্ত্রিসভা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে যে খবর পাওয়া যাচ্ছে তাকে আমরা স্বাগত জানাই। আমরা আগেই বলেছি, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সমালোচকদের গ্রেপ্তার, আটক এবং মুখ বন্ধ করতে ব্যবহৃত হয়েছে।
তিনি বলেন, এই আইনটি সংস্কারের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের দীর্ঘদিনের যে প্রতিশ্রুতি রয়েছে সেটিকে আমরা স্বাগত জানাই। সকল অংশীদারকে (স্টেকহোল্ডার) যেন নতুন খসড়া সাইবার নিরাপত্তা আইন পর্যালোচনা করার সুযোগ দেওয়া হয় এবং এই আইনটিতে যেন আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নিশ্চিত করা হয়, সে বিষয়ে আমরা বাংলাদেশ সরকারকে উৎসাহিত করি।
এর আগে বাংলাদেশে বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের নাম ও বিষয়বস্তুতে পরিবর্তন এনে সাইবার নিরাপত্তা আইন নামে সরকারের নতুন আইন করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
উল্লেখ্য, সোমবার বহুল আলোচিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ পরিবর্তন করে নতুন আইনের খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। নতুন আইনটি ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’ নামে প্রতিস্থাপিত হবে।