নিহতের স্বামী রকিব আলী জানান, রাতে ঘরে পরিবারের সবাইকে নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলাম। এমন সময় সুমির মুঠোফোনে একটি কল আসে। তিনি কথা বলার জন্য ঘর থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। পরে খোঁজাখুঁজি করে বাড়ির পাশে পুকুরে তার বিবস্ত্র লাশ ভাসতে দেখি।
তিনি দাবি করে আরো বলেন, এটা একটা পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আমি এ ঘটনায় জড়িতদের কঠোর বিচার চাই।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সকালে স্থানীয়রা লাশটি পুকুরে ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত ওই গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করি এবং পরে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একই এলাকার নজরুল ইসলাম নামে এক যুবককে থানায় নেয়া হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মৃত্যুর রহস্য জানা যাবে।