calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / তথ্য ও প্রযুক্তি / অডিট প্রয়োজন সাইবার সিকিউরিটি
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
তথ্য ও প্রযুক্তি বিশেষ প্রতিবেদন

অডিট প্রয়োজন সাইবার সিকিউরিটি

প্রযুক্তির অগ্রগতির এই সময়ে প্রতিনিয়ত তথ্যের অবাধ ব্যবহার দেখা যায়। বিশেষ করে ডিজিটাল যে কোনো সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত তথ্য দিলে তবেই সেই সেবা নিশ্চিত হয়। এক্ষেত্রে সুবিধা যেমন আছে, তেমনি আছে ঝুঁকিও। সম্প্রতি...

person
স্টাফ রিপোর্টার verified
Junior Reporter
schedule প্রকাশ: সোমবার, ২৮ আগস্ট ২০২৩ • সকাল ১১:০৭
history আপডেট: ৩ বছর আগে
timer ৫ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৫৯ বার পঠিত

সাইবার নিরাপত্তা, ইন্টারনেট গভর্নেন্সসহ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রায় তিন দশক ধরে কাজ করছেন সুমন আহমেদ সাবির। তিনি যুগান্তরকে বলেন, তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজন সাইবার সিকিউরিটি অডিট। দেশের সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রতি বছর আর্থিক অডিট করা হয়। এর পেছনে সরকারের রাজস্ব, স্বচ্ছতা বা আর্থিক নিরাপত্তা, যে কারণেই হোক না কেন এই অডিট কিন্তু হয়। ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করলে সাইবার সিকিউরিটি অডিট করতে হবে। সেই অডিটের মাত্রা নির্ভর করবে প্রতিষ্ঠানভেদে। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবহৃত তথ্যের আর্থিক গুরুত্ব কত এবং সামাজিক প্রভাব, রাজনৈতিক প্রভাব-এসবের বিবেচনায় সেই অনুসারে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে হবে। সেটা করা না গেলে ডিজিটাল সেবায় যে তথ্যগুলো যাচ্ছে সেগুলো ঝুঁকির মুখে পড়বে।

তিনি বলেন, এনআইডির তথ্য কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ। যে ওয়েবসাইট এনআইডি ডেটা ব্যবহার করছে তার পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা আছে কি না সেটা দেখতে হবে এবং তাকে সিকিউরিটি গাইডলাইনও দিতে হবে। আর সেটা করা না গেলে এমন ঘটনা ঘটতেই থাকবে।

সুমন আহমেদ সাবির আরও বলেন, এনআইডির এমন তথ্য ফাঁসের ঘটনায় একটা ব্যাপার সামনে এসেছে-সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নিরাপত্তার আরও একটি স্তর বাড়াতে হবে। শুধু জাতীয় পরিচয়পত্রের ওপর ভরসা করে সেবা দেওয়া যাবে না। বিশেষ করে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো।

তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ তানভির হাসান জোহা বলেন, আমি মনে করি, ঝুঁকি সামাল দেওয়ার বিষয়টি রাষ্ট্রীয় ব্যাপার। এ বিষয়ে নাগরিক বা প্রতিষ্ঠানের কিছু করার নেই। কারণ রাষ্ট্র কিন্তু নাগরিকদের তথ্যভান্ডারের দায়িত্ব নিয়েছে। আর অফিশিয়ালি এই তথ্যের মালিক নির্বাচন কমিশন। সরকারের উচিত তদন্ত কমিটি করা এবং এই তথ্যের সঠিকতা যাচাই করা। পাশাপাশি ভালনারেবিলিটি অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাম্পারিশন টেস্টিং এবং এই সংবেদনশীল সব তথ্যকে সিকিউরিটি অপারেশন সেন্টারের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা।

তথ্যের সুরক্ষায় আইন প্রণয়নের কথা বললেন মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, এসব থেকে রক্ষা পেতে তথ্যপ্রযুক্তি সুরক্ষাসেবায় দ্রুত আইন প্রণয়ন করতে হবে। তথ্য হাতিয়ে নেওয়া ব্যক্তি এবং সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হওয়া ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনতে হবে। সাইবার নিরাপত্তায় পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তায় উন্নত প্রযুক্তিবান্ধব ডিভাইস ব্যবহার করতে বাধ্য করতে হবে। প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানকে তথ্য সুরক্ষা দিতে সর্বোচ্চ নির্দেশনা এবং গ্যারান্টি প্রদান করতে হবে।

tag ট্যাগ: #1111