গত বছর মে মাসেই জোসেফকে দোষী প্রমাণিত করা হয়। শাস্তি শোনাতে বেশ কিছুদিন সময় নিয়েছে আদালত। বিচারক এদিন বলেছেন, ওই দিনের ঘটনায় আমেরিকার মূল স্পিরিট আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। আমেরিকার গণতন্ত্রকে চ্যালেঞ্জ জানানো হয়েছিল। মানুষের ভোটকে অস্বীকার করা হয়েছিল। সে কারণেই চরমতম শাস্তি দেয়া হয়েছে অভিযুক্তদের।
বিগস এর আগে ইরাক যুদ্ধে সামিল হয়েছিলেন। পরে ইনফোওয়ার্স নামের এক ওয়েবসাইটে লিখতেন তিনি। সেখানেও নানা ষড়যন্ত্রমূলক বিষয়ে আলোকপাত করতেন তিনি। প্রাউড বয়েসের সঙ্গেও তার নিবিঢ় যোগাযোগ ছিল। সমাজমাধ্যমে অতি দক্ষিণপন্থি আলোচনায় যুক্ত হতেন তিনি।
বস্তুত, প্রাউড বয়েস একটি অতি দক্ষিণপন্থি সংগঠন। বর্ণবিদ্বেষমূলক নানা কথা সমাজমাধ্যমে তারা আলোচনা করতো। ট্রামপন্থি এই সংগঠন ৬ জানুয়ারির হামলায় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিল বলে অভিযোগ।
বিগসের জন্য ৩৩ বছরের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করেছিলেন সরকারি আইনজীবী। কিন্তু বিচারক জানিয়েছেন, বিগস কাউকে হত্যার চেষ্টা করেননি। ওই ঘটনায় বহু মানুষের প্রাণ যায়নি। ফলে সর্বোচ্চ শাস্তি তাকে দেয়া যায় না। তবে সেদিন যা ঘটেছে তা অভূতপূর্ব বলে বর্ণনা করেছেন বিচারক। ক্যাপিটল হামলার জন্য এখনো পর্যন্ত এক হাজার একশ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এর আগে আরেক অপরাধীকে ১৯ বছরের সাজা শোনানো হয়েছে। সূত্র: ডয়চে ভেলে।