জানা যায়, ছয় মাস বয়সী রোজা মনি নামে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে এ দম্পতির। মেয়ের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে গার্মেন্টসে কাজ নেন জেসমিন। গত মাসের বেতনের টাকা নিতে বুধবার সকালে মেয়েকে দাদি হালিমা খাতুনের কাছে রেখে কারখানায় যাচ্ছিলেন তিনি।
নিহতের স্বামী মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘আজকে ফজরের আজানের সময় আমারে তুলে দেয়। আমি ওরে বলছিলাম আইজকা কারখানাত যাওনের দরকার নাই। আজকে বেতন দিতে পারে এই কথা কইয়া সে বাড়ি থেকে বের হইলো। কইছিল বিকেল ৫টার মধ্যে আইয়া পড়ব। কিন্তু ও আইল লাশ অইয়া। আমার মাইয়্যাডার অহন কি অইব।’
নিহতের বাবা আতিকুল ইসলাম মেয়ের মরদেহ নিয়ে ত্রিশাল থানা চত্বরে আহাজারি করছিলেন। মেয়ের এমন মৃত্যুতে তিনি পাগলপ্রায়।