calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / তথ্য ও প্রযুক্তি / অনুমোদন নিয়ে ‘জটিলতা’,দেশে মোবাইল ফোন কারখানা স্থাপন
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
তথ্য ও প্রযুক্তি বিশেষ প্রতিবেদন

অনুমোদন নিয়ে ‘জটিলতা’,দেশে মোবাইল ফোন কারখানা স্থাপন

দেশেই এখন মোবাইল ফোন তৈরি হচ্ছে। মোবাইল হ্যান্ডসেট সংযোজন ও উৎপাদন কারখানা স্থাপনের জন্য টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসি এ পর্যন্ত ১৬টি প্রতিষ্ঠানকে সনদ (অনুমোদন) দিয়েছে, যার মধ্যে অনেকগুলোর বিষয়ে কমিশন অবগত নয়।...

person
বাংলার ডাক verified
Staff reporter
schedule প্রকাশ: রবিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২২ • সকাল ১১:৪৩
history আপডেট: ৩ বছর আগে
timer ৮ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১১৪ বার পঠিত

বিটিআরসির সনদপ্রাপ্ত ১৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৪টি প্রতিষ্ঠানকে মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট ম্যানুফ্যাকচারার অ্যান্ড ভেন্ডর এনলিশমেন্ট (ক্যাটাগরি ‘এ’ মানের) চূড়ান্ত সনদ এবং ২টি প্রতিষ্ঠানকে সাময়িক সনদ দেওয়া হয়।  জানা গেছে, যেসব প্রতিষ্ঠানকে এই সনদ দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে কোনও কোনোটির বিষয়ে কমিশন অবগত নয়। বিটিআরসি সর্বশেষ গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আরএফএল ইলেক্ট্রনিকসকে মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট ম্যানুফ্যাকচারার অ্যান্ড ভেন্ডর এনলিশমেন্ট সনদ দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, বিটিআরসি থেকে মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট ম্যানুফ্যাকচারার অ্যান্ড ভেন্ডর এনলিশমেন্ট সনদ নিয়েছে ওয়ালটন ডিজিটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ফেয়ার ইলেকট্রনিকস লিমিটেড, আলামিন অ্যান্ড ব্রাদার্স, এডিসন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, কার্লকেয়ার টেকনোলজি বিডি লিমিটেড, আনিরা ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড, ওকে মোবাইল লিমিটেড, বেস্টটাইকুন (বিডি) এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড, বাংলাট্রোনিক্স টেকনোলজি লিমিটেড, বেনলি ইলেক্ট্রনিক এন্টারপ্রাইজ কোং লিমিটেড, মাইসেল টেকনোলজি লিমিটেড, ভাইব্রেন্ট সফটওয়্যার (বিডি) লিমিটেড, ডিবিজি টেকনোলজি বিডি লিমিটেড, লিনেক্স ইলেক্ট্রনিকস বাংলাদেশ ও আরএফএল  ইলেক্ট্রনিকস।

বিটিআরসির কমিশন বৈঠক বলছে, ২৪৩তম কমিশন সভায় ২০১৭ সাল থেকে ২০২০ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত ১১টি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট ম্যানুফ্যাচারার অ্যান্ড ভেন্ডর এনলিশমেন্ট সনদ দেওয়ার বিষয়টি তাদের অবহিত বা জানানো হয়। কিন্তু ওই সময়ের পরে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুকূলে সনদ দেওয়ার বিষয়টি কমিশন থেকে অনুমোদন বা ভূতাপেক্ষ অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়নি। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন ২০০১ (সংশোধিত ২০১০) এর ধারা ৩১ অনুযায়ী, টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন বা পরিচালনা বা টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানের জন্য পারমিট বা সনদ ইস্যুকরণে কমিশনের অনুমোদন নেওয়ার বিধান রয়েছে।

প্রসঙ্গত, যেসব কারখানার বিষয়ে কমিশন থেকে অনুমোদন বা ভূতাপেক্ষ অনুমোদন নেওয়ার কথা বলা হয়েছে— সেগুলো বিটিআরসির স্পেক্ট্রাম ম্যানেজমেন্ট (এসএম) বিভাগ থেকে অনুমোদন নেওয়া হয়েছে। কমিশন বৈঠকে উপস্থাপন করে তা বিটিআরসির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম কমিশন বৈঠক থেকে অনুমোদন নেওয়া হয়নি। ফলে আবারও অনুমোদন নেওয়ার বিষয়টি উঠে আসে।

এ নিয়ে বিটিআরসিতে বিভিন্ন ধরনের কথা হয়েছে, মতবিরোধ হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে। সে কারণে নতুন করে আবারও অনুমোদনের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। ওই সূত্র আরও জানায়, এ ব্যাপারে অনুমোদন বা ভূতাপেক্ষ অনুমোদনের বিষয়ে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়েছে। ওই কমিটি আগামী কমিশন বৈঠকে এ সম্পর্কে সুপারিশ বা মতামত দেবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতিষ্ঠানগুলো সনদ নিয়ে কারখানা চালু ও মোবাইল ফোন উৎপাদন করে দেশের প্রয়োজন মেটাচ্ছে। অনেক প্রতিষ্ঠান মোবাইল ফোন রফতানিও করছে। এসব কারখানায় হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন উদ্যোক্তারা। এ অবস্থায় অনুমোদন নিয়ে  এমন জটিলতা এ খাতে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। সংশ্লিষ্টরা এও প্রশ্ন করেছেন, যেসব কারখানাকে নতুন করে অনুমোদন দেওয়া হবে বা ভূতাপেক্ষ অনুমোদন দেওয়া হবে, সেগুলো কি অবৈধ প্রতিষ্ঠান? না-হলে কেন আবারও অনুমোদন দেওয়া হবে।    

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিটিআরসির একজন শীর্ষ কর্মকর্তা নাম ও পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘কীসের ভিত্তিতে (গাইডলাইন, নির্দেশিকা, রেফারেন্স) অনুমোদন দেওয়া হয়েছে— তা কমিটির কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে। আগামী ২২ ডিসেম্বর কমিশন বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। তার আগেই গঠিত কমিটি কমিশন বৈঠকে সুপারিশ বা মতামত তুলে ধরবে।’

জানা যায়, কমিশনের স্পেক্ট্রাম বিভাগ থেকে আজ অবধি সাময়িক সনদ দেওয়া প্রতিষ্ঠান ১৬টি এবং এর মধ্যে চূড়ান্ত সনদ দেওয়া ১৪টি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট ম্যানুফ্যাকচারার অ্যান্ড ভেন্ডর এনলিশমেন্ট সনদ ইস্যুর বিষয়টি ভূতাপেক্ষ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে সর্বশেষ কমিশন বৈঠকে। এছাড়া পরবর্তী সময়ে স্থানীয়ভাবে মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট সংযোজন/উৎপাদনের কারখানা স্থাপনের আবেদন প্রাপ্তির  নির্দেশিকা মোতাবেক সব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে, আবেদনকারীর অনুকূলে মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট ম্যানুফ্যাকচারার অ্যান্ড ভেন্ডর এনলিশমেন্টের সাময়িক বা চূড়ান্ত সনদ ইস্যুর আগে কমিশন সভার (বৈঠক) অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

tag ট্যাগ: #2222