এ সময় পুলিশের গুলিতে আমিরুল ইসলাম নামে এক ভ্যানচালক (২৪), তাইজুল ইসলাম (২৫) ও শামীম (৩৮) গুলিবিদ্ধ হন। গুলিবিদ্ধ ভ্যানচালককে উদ্ধার করে আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাইজুল ও শামীমকে অন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বিপ্লব বলেন, সকালে শ্রমিকরা সড়কে নামার চেষ্টা করলে তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।এ সময় পুলিশ তাদের সরিয়ে দিতে রাবার বুলেট ছুড়েছে। কিন্তু কাউকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়নি।
ভ্যানচালক আমিরুল জানান, সকালে একটি ট্রিপ নিয়ে জামগড়া আসলে পুলিশ ও শ্রমিকদের মাঝখানে পড়ে যান তিনি। এ সময় পুলিশের ছোড়া গুলিতে আহত হন তিনি।
গুলিতে আহত শামীম জানান, তার মা একজন পোশাক শ্রমিক। শ্রমিক-পুলিশের মধ্যে ধাওয়া পালটা ধাওয়ার কথা শুনে তিনি তার মাকে আনতে যান। এ সময় পুলিশের গুলিতে তিনি আহত হন।
শিল্পপুলিশ-১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহমুদ নাসের জনি বলেন, সকালে আশুলিয়ায় পোশাক কারখানা খোলার পর শ্রমিকরা হাজিরা দিয়ে কারখানা থেকে বের হয়ে রাস্তায় জড়ো হচ্ছিলেন। পুলিশ তাদের সরিয়ে রাস্তা খালি করতে গেলে সংঘর্ষ শুরু হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
কারখানা যাতে ভাঙচুর করা না হয় সেজন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।