calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / অন্যান্য / বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাংকিং নিয়ে ঢাবি-বুয়েট কথা বলার যোগ্যতাই রাখে না
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
অন্যান্য বিশেষ প্রতিবেদন

বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাংকিং নিয়ে ঢাবি-বুয়েট কথা বলার যোগ্যতাই রাখে না

বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকায় এবারও উল্লেখযোগ্য অবস্থানে নেই বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়। উচ্চশিক্ষার মানদণ্ডে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উন্নতি দৃশ্যমান নয়। এ কারণে বিদেশি শিক্ষার্থীরা আমাদের...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: শনিবার, ৪ নভেম্বর ২০২৩ • সন্ধ্যা ০৬:৩৩
history আপডেট: ২ বছর আগে
timer ৬ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৮০ বার পঠিত

যিনি একাডেমিক-গবেষণায় বিশ্ববিদ্যালয়কে নেতৃত্ব দেবেন, সেই ভিসি নিয়োগ নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠছে। উপাচার্য নির্বাচনে স্বজনপ্রীতি, অস্বচ্ছতা ও কারও কারও ক্ষেত্রে একাডেমিক ও প্রশাসনিক যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। আবার বরেণ্য শিক্ষাবিদদের অনেকে প্রশাসনিক এ দায়িত্ব নিতে অনাগ্রহী। যেমনটি ফুটে উঠেছে খোদ শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির কথায়। গত ২৯ মার্চ সংসদে দেওয়া বক্তৃতায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অনেক বরেণ্য শিক্ষক আছেন, যাদের উপাচার্য হিসেবে পেলে আমরা গর্ব অনুভব করতাম। কিন্তু তাদের অনেকেই এ প্রশাসনিক দায়িত্ব নিতে আগ্রহী নন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হতে বরেণ্য শিক্ষাবিদদের অনাগ্রহ, র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের পিছিয়ে পড়ার কারণ এবং এ থেকে উত্তরণের উপায় নিয়ে কথা হয় দেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ বুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিরিয়ারিং ফ্যাকাল্টির সাবেক ডিন অধ্যাপক ড. কায়কোবাদের সঙ্গে। তিনি দেশের সামগ্রিক উচ্চ শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটি এবং শোধরানোর উপায় নিয়েও কথা বলেছেন।  দুই পর্বের সাক্ষাৎকারের প্রথমটি আজ পাঠকদের উদ্দেশে তুলে ধরা হলো—

 র‌্যাংকিংয়ে আমাদের অবস্থান এত পিছিয়ে কেন? 
কায়কোবাদ : আসলে আমি বলব— বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে আমাদের ভালো অবস্থানে থাকার কোনো কারণও নেই। কিউএস র‌্যাংকিংয়ে বিশ্বসেরা ৮০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ভারতের ৪৪টা বিশ্ববিদ্যালয় আছে। এমনকি শত সংকটকবলিত পাকিস্তানেরও ১৩টি বিশ্ববিদ্যালয় আছে। পাকিস্তানের যেখানে ১৩টি বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাংকিংয়ে ভালো জায়গায় আছে, আর সেখানে আমাদের স্থানই নেই। আমাদের আর এ বিষয়ে কথা বলার মতো মুখই নেই।

যখন র‌্যাংকিং হয়, তখন আমরা বলে থাকি— এগুলো সঠিক নয়, আমাদের যোগ্যতার যথাযথ প্রতিফলন ঘটছে না এতে। এ কথা আমরা বলতে পারি না। এমআইটি, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় এমনটি বলতে পারে। তখন র‌্যাংকিং কর্তৃপক্ষ চিন্তা করবে কীভাবে হার্ভার্ড, এমআইটিকে র্যাংকিং প্রথার মধ্যে রাখা যায়। 

উচ্চশিক্ষায় গুণগত মানে উন্নতি করতে না পারার ক্ষেত্রে আমাদের মূল দুর্বলতাটা কোথায়?
কায়কোবাদ : মূলত আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় সুস্থ কোনো প্রতিযোগিতা নেই। আমাদের পাশের দেশ ভারত, পাকিস্তান— এমনকি শ্রীলংকাতেও নিজ দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে র্যাংক করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে নানাভাবে র্যাংক করা হয়। গবেষণায় কোন বিশ্ববিদ্যালয় ভালো, রসায়নে কারা ভালো, পদার্থে কোন বিশ্ববিদ্যালয় ভালো, আন্ডারগ্র্যাজুয়েটে কারা ভালো। নানা রকমের সূচকে সেখানে র‌্যাংক করা হয়। এর ফলে তাদের নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে র্যাংকিংয়ে এগিয়ে থাকার প্রতিযোগিতা বা তাড়না কাজ করে। আমাদের কি এ ব্যবস্থা আছে? প্রতিযোগিতা আছে বলেই বিশ্ব র্যাংকিংয়ে ওপরের দিকে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকায় কমপক্ষে ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের।

এবারও ১০০-তে ১০০ স্কোর নিয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি)। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়, তৃতীয় যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়। এ ছাড়া চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে আছে যথাক্রমে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়। আমাদের পাশের দেশ ভারতেরও পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় সেরা ৩০০-তে স্থান পেয়েছে।

tag ট্যাগ: #111