মাশরাফির পাশাপাশি এ আসনে নৌকার মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন খান, সহসভাপতি আসিফুর রহমান বাপ্পি, মো. হাসানুজ্জামান, আইয়ুব আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশিদুল বাশার ডলার, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী এ এম আবদুল্লাহ, নড়াইল পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি মলয় কুণ্ডু, লোহাগড়া উপজেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফয়জুর আমীর লিটু, বর্তমান সভাপতি মুন্সী আলাউদ্দিন, আওয়ামী লীগ নেতা হাবিবুর রহমান তাপস, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা তরিকুল ইসলাম, কাজী জাহিদুর রহমান, ফারহানা রেজা পিউলী, ব্যারিস্টার আমিনুর রহমান আলামিন, শামীমা সুলতানা, জসিম উদ্দিন কনক, মনির হুসাইন, ড. কে এম সালাউদ্দিন, নজরুল মুন্সী, পলাশ হাজরা, লায়ন নূর ইসলামসহ ২৪ নেতা।
আওয়ামী লীগ ও সমমনা দলের কয়েক নেতাকর্মী জানান, মাশরাফি গত ৫ বছরে নড়াইলের উন্নয়নের জন্য চেষ্টা করেছেন। তিনি জনগণের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীর কাছে যাননি। ফলে অনেক নেতা তাঁর ওপর নাখোশ। এই ক্ষোভকে পুঁজি করে অনেকে প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে নেমেছেন।
নড়াইলের চারণকবি বিজয় সরকার ফাউন্ডেশনের যুগ্ম আহ্বায়ক আকরাম শাহীদ চুন্নু বলেন, এ আসনে দুটি কারণে প্রার্থী বেশি হতে পারে। প্রথমত, এ আসনে অনেক নেতা এখন সিনিয়র হয়ে গেছেন। তারা হয়তো এমপি হওয়ার যোগ্য। দ্বিতীয়ত, এই সুযোগে অনেকে নিজের নাম প্রচার করতে চান। তিনি মনে করেন, এ আসনে বর্তমান এমপির তেমন কোনো দুর্বলতা নেই।
এ বিষয়ে মাশরাফির প্রতিক্রিয়া জানতে তাঁকে ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। পরে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ দিলেও তাঁর জবাব মেলেনি।
মনোনয়নপ্রত্যাশী জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আসিফুর রহমান বাপ্পি বলেন, আমি এবার মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। এ আসনে এত বেশি প্রার্থী হওয়ার পেছনে বর্তমান এমপির কোনো ব্যর্থতা রয়েছে কিনা– জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি বর্তমান এমপির কোনো সমালোচনা করব না। দলীয় নেতাকর্মীর সঙ্গে তাঁর অনেক দূরত্ব রয়েছে।’
মনোনয়নপ্রত্যাশী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশিদুল বাশার ডলার বলেন, ‘আশা করেছিলাম বর্তমান এমপি যেমন ক্রীড়া ক্ষেত্রে সফল হয়েছেন, তেমনি রাজনীতিতেও সফল হবেন। কিন্তু তা হয়নি। দলীয় নেতাকর্মী এবং জনগণ যে আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে ভোট দিয়েছিলেন, তাদের সেই আশা পূরণ হয়নি। বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁর ব্যর্থতা রয়েছে।’