প্রেস ব্রিফিংয়ে জানা যায়, গাজীপুর মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার ফজলুল করিমের নাম ও ছবি ব্যবহার করে ভুয়া ফেসবুক আইডি তৈরি করে প্রতারক লিটন। পরে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্নজনের কাছ থেকে নগদ টাকা আত্মসাৎ করেন লিটন। পুলিশের সাইবার টিম ওই ফেসবুক আইডি শনাক্ত করে জামালপুর জেলায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। লিটনের জব্দ করা দুটি মোবাইল ফোন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, লিটন পুলিশ, র্যাব, ফায়ার সার্ভিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম, ছবি দিয়ে একাধিক ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন লোকের থেকে বিভিন্ন সময়ে টাকা আত্মসাৎ করে আসছিল।
গত ১৯ নভেম্বর সদর থানায় একটি মোবাইলসহ ৫০ হাজার টাকা চুরির একটি মামলার সূত্র ধরে গাজীপুর মহানগর টঙ্গী পূর্ব ও কালিয়াকৈর থানা এলাকা থেকে জামাই আকিল হাসান ও শ্বশুর শফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। তারা বিকাশ প্রতারণার ঘটনা ধারাবাহিকভাবে ঘটিয়ে আসছে বলে পুলিশকে জানায়।
তাদের চক্রের সদস্যরা বিকাশ এজেন্ট দোকানকে টার্গেট করে তাদের লেনদেনকালে সুকৌশলে এজেন্টদের বিকাশ, নগদ এর পিন নম্বর সংগ্রহ করে। এজেন্টদের বিকাশ পিন নম্বর সংগ্রহের পরবর্তীতে তারা রাতে বা সুবিধামতো দিনের যেকোনো সময় বিকাশ, নগদ অ্যাকাউন্ট চালু করা মোবাইল ফোনটি চুরি করে পিন নম্বর দিয়ে টাকা উত্তোলন করে। এভাবে গ্রেফতাররা এ পর্যন্ত নগদ এজেন্ট ও বিকাশ পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট থেকে ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৯০০ টাকা হাতিয়ে নেয় বলে প্রমাণ মিলেছে।