নির্বাচনকেন্দ্রিক প্রস্তুতির বিষয়ে জানতে চাইলে আনসার-ভিডিপির মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল একেএম আমিনুল হক যুগান্তরকে বলেন, নির্বাচনের মাঠে আমাদের ৫ লাখ ১৯ হাজারের বেশি সদস্য মোতায়েন থাকবে। এর মধ্যে কর্মকর্তা-কর্মচারী ২ হাজার ৮৫৫, ব্যাটালিয়ন আনসার ৮৫০০ এবং অঙ্গীভূত আনসার ও ভিডিপি সদস্য থাকবেন ৫ লাখ ৫ হাজার ৮১২ জন। আনসার বাহিনীর মোট প্লাটুন থাকবে ২৫০টি। প্রতিটি প্লাটুনে ৩০ থেকে ৩৫ জন করে সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিটি কেন্দ্রে ১২ জন করে আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবেন।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে (বিজিবি) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নির্বাচন ঘিরে তাদের ১ হাজার ১৫১ প্লাটুন সদস্য মেতায়েন থাকছে। এপিবিএনের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সারা দেশে তাদের ২০০ প্লাটুন সদস্য নির্বাচনি নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকছেন।
পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (অপারেশন্স) আনোয়ার হোসেন জানান, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারা দেশে ১ লাখ ৮৯ হাজার পুলিশ সদস্য কর্মরত আছেন। নির্বাচনের সময় টহল দেওয়া থেকে শুরু করে মোবাইল টিম, স্ট্রাইকিং টিম এবং ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গেও ডিউটিতে থাকবেন তারা।
মাঠে থাকবে বিজিবির ডগ স্কোয়াডও। তিনি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে বাড়তি ফোর্স মোতায়েন থাকবে। কোনো কোনো দুর্গম এলাকার কেন্দ্রও ঝুঁকিপূর্ণ। সেগুলোর বিষয়েও বাড়তি ফোর্স নিয়ে কাজ করছে পুলিশ। তিনি আরও বলেন, কেউ নির্বাচন প্রতিরোধ করার চেষ্টা করলে বা নির্বাচনি কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কোস্টগার্ড : নির্বাচনকালীন শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় উপকূলীয় এলাকায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ড মোতায়েন করা হয়েছে। কোস্টগার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার খন্দকার মুনিফ তকি বলেন, আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় ও বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার নিমিত্তে উপকূলীয় ৪৩টি ইউনিয়নে কোস্টগার্ড মোতায়ন থাকবে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ কোস্টগার্ড নির্বাচন-পূর্ববর্তী, নির্বাচনকালীন ও নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য গত ২০ ডিসেম্বর থেকে মাঠে আছে। কোস্টগার্ড সদস্যরা উপকূলীয় এলাকাগুলোতে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসাবে দায়িত্ব পালন করবে।