সংক্রমণ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার জন্য বৈশ্বিক রিপোর্ট পর্যালোচনা ও দেশে সার্ভিলেন্স জোরদার করতে হবে। এজন্য সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান আইইডিসিআরকে ভূমিকা রাখতে হবে। ভবিষ্যতে সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলে কোভিড পরীক্ষা ও আইসিইউসহ দ্রুত চিকিৎসার সকল প্রস্তুতি রাখতে হবে। বিদেশ থেকে আগত যাত্রীদের স্ক্রিনিং করতে হবে।
কোভিড ভ্যাকসিন বিষয়ে নিয়মিত বৈজ্ঞানিক তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণসাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুপারিশ করে কমিটি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ মোতাবেক উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের চতুর্থ ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
সার্জারি অথবা অন্য কোন রোগের চিকিৎসার আগে রোগীর করোনাভাইরাস উপসর্গ বা লক্ষণ দেখা দিলে কোভিড পরীক্ষা করতে হবে।